Combined Board ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

22টি প্রশ্ন

  1. 1.

    নওয়াপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একজন স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি। তিনি নিজেকে ইউনিয়নের সর্বোচ্চ মনে করেন। তিনি ভালো- মন্দ যেটাই করেন সেটিই আইন। ইউনিয়নের মেম্বার, শিক্ষিত, জ্ঞানী। সকলের মতকেই তিনি উপেক্ষা করেন।

  2. 2.

    একজন নেতা তার দেশে বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন জার সরকারের পতন ঘটান। তিনি তার দেশে সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থ রক্ষায় তার অবদান বিশ্ব স্বীকৃত।

  3. 3.

    'ক' একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংগঠন। কয়েকটি অঙ্গ সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত এ সংগঠনটির উদ্দেশ্য বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা। একজন মহাসচিবের নেতৃত্বে সংগঠনটি পরিচালিত হয়।

  4. 4.

    ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের মধ্যে লর্ড ডালহৌসি ছিলেন। অন্যতম। ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ভিত মজবুত করার জন্য তিনি নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে ভারতবাসীর বিরাগভাজন হলেও কিছু ক্ষেত্রে। সংস্কার কাজের মাধ্যমে তিনি জননন্দিতও হয়েছিলেন।

  5. 5.

    'X' নামক ব্যক্তি পৃথিবীর বিখ্যাত ব্যক্তিদের দেশে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষকতা পেশা নিয়ে তিনি কর্মজীবন শুরু করলেও শিক্ষকতার। পাশাপাশি তিনি একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি নিজেই একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। গণতন্ত্রের পরিবর্তে বল প্রয়োগে ক্ষমতা গ্রহণের পক্ষে তার মত ছিল।

  6. 6.

    যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বিশ্ববাসীকে রক্ষা করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার আদর্শ নিয়ে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিভিন্ন সময়ে এবং স্থানে সম্মেলন করে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের সিদ্ধান্তে এ সংগঠনটির জন্ম হয়। বিভিন্ন দেশের স্বাধীনতা অর্জনে এ সংগঠনটির ভূমিকা ব্যাপক।

  7. 7.

    এশিয়ার একটি দেশে দুটি শক্তিশালী বোমা হামলা করা হয়। এরই ফলশ্রুতিতে দেশটি যুদ্ধ পরিত্যাগ করে মিত্রপক্ষের নিকট আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। উক্ত যুদ্ধটি ছিল ভয়াবহ।

  8. 8.

    'ক' রাষ্ট্রে শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এ বিপ্লবের পিছনে অনেক মহান নেতার বিশেষ অবদান ছিল। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে শুরু হলেও রাষ্ট্র শক্তি দ্বারা বিপ্লবী শক্তি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর তা সশস্ত্র রূপ ধারণ করে। ফলশ্রুতিতে বিশ্ববাসী এক নতুন সমাজব্যবস্থার ধারণা লাভ করে।

  9. 9.

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করে। বিপরীতে ভারত ও রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেয়। মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের সৃষ্টি হয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

  10. 10.

    একটি অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে আড়পাড়া ও জামতৈল গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত অন্যান্য গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ বিষয়টির মীমাংসার জন্য বসে একতরফাভাবে আড়পাড়াকে দায়ী করে এবং তার উপর ক্ষয়ক্ষতির বোঝা চাপিয়ে দেয়। একতরফা এ রায়ের খেসারত একসময় সকল গ্রামকেই দিতে হয়।

  11. 11.

    যমুনা নদীর তীরবর্তী সালেমপুর ও মকসুদপুর দুটি ভিন্ন অঞ্চল। সালেমপুরের মাতব্বর চরের জমিকে ব্যক্তি মালিকানায় রাখতে চান। অথচ মকসুদপুর গ্রামের মাতব্বর চান সমবায় খামারের মাধমে চর শাসন করতে। এরূপ অবস্থায় সালেমপুরের মাতব্বর পার্শ্ববর্তী কয়েকটি অঞ্চল নিয়ে একটি জোট গঠন করে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে | মকসুদপুরের মাতব্বরের নেতৃত্বে অনুরূপ জোট গঠন করে। এতে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা দেখা দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সংঘর্ষ সংঘটিত হয় নি।

  12. 12.

    যমুনার এক পাশে টাঙ্গাইল ও অন্য পাশে সিরাজগঞ্জ জেলা অবস্থিত। টাঙ্গাইলের এলেঙ্গাচরের লোকেরা অত্যন্ত কঠোর প্রকৃতির ছিল। একদিন সিরাজগঞ্জের এক জেলে নদীতে নৌকা দিয়ে মাছ ধরছিল। এমন সময় এলেঙ্গাচরের কিছু লোক এসে নৌকাসহ মাছ লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলা চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি এলেঙ্গাচরের উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকট ক্ষতিপূরণ এবং ডাকাত দলকে হস্তান্তরের দাবি জানান। এলেঙ্গাচরের উপজেলা চেয়ারম্যান জানান ডাকাতদের ওপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তিনি ক্ষতিপূরণ ও ডাকাত দলকে হস্তান্তরের দাবি অস্বীকার করেন। ফলে সিরাজগঞ্জ এলাকার লোকজন এলেঙ্গাচরবাসীর ওপর হামলা চালায়।

  13. 13.

    আফ্রিকার একটি উপজাতি সূর্যদেবতার মন্দিরকে সবচেয়ে নিরাপদ ও শক্তির আধার মনে করে তাদের সকল ধনসম্পদ সেখানে গচ্ছিত রাখে। তাদের বিশ্বাস শত্রু হতে শক্তিশালীই হোক সূর্যদেবতা তাদের রক্ষা করবে। মন্দিরে ধনসম্পদ গচ্ছিত রাখার বিষয়ে একটি ইউরোপীয় অভিযাত্রী দল অবগত হয়। তাদের স্বপ্ন ছিল হাওয়াই দ্বীপে তারা একটি অবকাশ কেন্দ্র স্থাপন করবে। এজন্য মন্দির লুন্ঠন করার মনস্থির করে। অভিযাত্রীরা অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত হয়ে মন্দির আক্রমণ করে। উপজাতিরা প্রাণপণ লড়াই করেও পরাজিত হয়। অভিযাত্রীরা মন্দির হতে প্রচুর ধনসম্পদ হস্তগত করে।

  14. 14.

    অটোমান সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সুলতান উসমানের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এশিয়া মাইনরে বিদ্রোহ দমনের পর তিনি একে একে সমগ্র উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল জয় করেন। এরপর তিনি নাইমিয়া, ব্লুসা, কারাসাই, পেরগোমস প্রভৃতি বিজয় করেন। আর ১৩৩৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নিকোমেডিয়ার প্রথম যুদ্ধে সাময়িক পরাজিত হয়েও ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নিকোমেডিয়ার দ্বিতীয় -যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে সমগ্র এশিয়া মাইনরে তুর্কি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। এভাবে উন্নত সামরিক কৌশল, শত্রুপক্ষের বিশৃঙ্খলা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রভৃতিই এশিয়া মাইনরের সুলতান উসমানকে স্থায়িভাবে তুর্কি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছিল।

  15. 15.

    উসমানের পূর্বপুরুষরা গোবি মরুভূমির একটি ক্ষুদ্র রাজ্যের শাসক ছিলেন। যেখানে শত্রুপক্ষের শক্তির কারণে সুবিধা করতে না পেরে তারা এশিয়া মাইনরে চলে আসেন। এশিয়া মাইনরে বহুদিন ধরে সেলজুকরা শাসন করলেও উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বেশকিছু স্বাধীন ও শক্তিশালী গ্রিক রাজ্য বিদ্যমান ছিল। উসমান শেষ সেলজুক সুলতান, আলাউদ্দিনের পতন ঘটিয়ে সেখানে উসমানীয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি শক্তিশালী গ্রিক রাজাদেরও পরাজিত করে যে বিশাল উসমানীয় সাম্রাজ্য গঠন করেন তা কয়েক শতাব্দী স্থায়ী হয়েছিল।

  16. 16.

    শিখ ধর্মের প্রবর্তক গুরু নানক পাকিস্তানের লাহোরে এক হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হিন্দু ও মুসলমানদের ধর্মের বাইরে গিয়ে এক নতুন ধর্মমত প্রচার করেন। হিন্দুধর্ম ও ইসলাম ধর্মের সংমিশ্রণে একেশ্বরবাদী শিখ ধর্ম অনেকেই গ্রহণ করে। এ ধর্মের গ্রন্থসাহেব নামে একটি ধর্মগ্রন্থ রয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বর্তমানে অনেক শিখ ধর্মানুসারীরা বসবাস করছে।

  17. 17.

    কীর্তিপাশার জমিদার মহিম রায় চৌধুরী খুবই রুচিবান ও সৌখিন মানুষ ছিলেন। তিনি জমিদারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি জাকজমকপূর্ণ দরবার হল নির্মাণ করেছিলেন। পাশাপাশি তার নির্মিত। কাচারি বাড়ি নায়েব মহল আজও স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে। একই সময়ে নির্মিত নাট মন্দিরটি এখনো ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হয়। তার স্ত্রী। কমলাদেবী অনিন্দ্য সুন্দরী ও বিদুষী রমণী ছিলেন। জমিদার মহিয়। রায় চৌধুরীর স্ত্রীর প্রতি ছিল অপরিসীম ভালোবাসা। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় পড়ে কমলাদেবী অকালে মৃত্যুবরণ করলে জমিদার খুবই মুষড়ে পড়েছিলেন। তিনি স্ত্রীর স্মৃতি রক্ষার্থে বহু অর্থ ব্যয়ে যে সৌধটি নির্মাণ করেন, আজও তা বিদ্যমান রয়েছে।

  18. 18.

    "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।"

  19. 19.

    হোসনি মোবারক মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার পর সামরিক বাহিনীর সহায়তায় স্বৈরাচারী নীতিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে থাকেন। বিরোধী দলের মতামতকে অগ্রাহ্য করে তিনি দেশের একটি অঞ্চলের উপর কঠোর দমননীতি চালু করেন। দেশের আপামর জনসাধারণ তার অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু করে। সরকার পতনের এ আন্দোলনের মুখে হোসনি মোবারক পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

  20. 20.

    ১৯৯০ সালে মিয়ানমারে এক ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ নির্বাচনে গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সুচির দল 'ন্যাশনাল ফর ডেমক্রেসি' বিপুল ভোটে জয়লাভ করলেও ক্ষমতাসীন জান্তা সরকার সুচির হাতে ক্ষমতা ছেড়ে না দিয়ে বরং তাকে উল্টো রাষ্ট্রদ্রোহী বলে গৃহবন্দি করে রাখেন।

  21. 21.

    বসনিয়া ছিল একসময় সার্বিয়ার একটি প্রদেশ। বসনিয়ানরা রাষ্ট্রে বন্ধ্যাগরিষ্ঠ হলেও রাষ্ট্রক্ষমতা সার্বিয়ানদের হাতে ছিল। তার বসনিয়ানদের ওপর বৈষম্য ও শোষণনীতি গ্রহণ করলে বসনিয়াবাসী স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু দফা ঘোষণা করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সার্বিয়া আন্দোলনকারীদের দমন করতে গেলে সেখানে গণআন্দোলনের সৃষ্টি হয়। শাসকগোষ্ঠীর হাতে বহু ছাত্রজনত হতাহত হয়। যার ফলশ্রুতিতে বসনিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে।

  22. 22.