‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • হলি ক্রস কলেজ, ঢাকা • হলি ক্রস কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

'ক' পেশাগত কাজে সুইডেন ও নরওয়ে গিয়েছিলেন। এসব দেশের নাগরিকদের অধিকার, সচেতনতা ও কর্তব্যবোধ দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। 'ক' এর ধারণা একদিন পৃথিবীর সব দেশের মানুষই তাদের অধিকার ও কর্তব্যবোধ সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠবেন।

  1. ক)

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ গৃহীত হয় কত সালে?

    (1)
  2. খ)

    রাজনৈতিক অধিকার বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের মধ্যে পার্থক্যগুলো লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে নাগরিকগণ অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন অর্থাৎ 'অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত রয়েছে'- তোমার পাঠ্য পুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে 'সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র' (মানবাধিকার সনদ) গৃহীত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের অধিকারকে রাজনৈতিক অধিকার বলে। যেমন—ভোটদান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, সরকারি চাকরি লাভ, রাজনৈতিক দল গঠন এবং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার ইত্যাদি।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

    ১. প্রকৃতিগত পার্থক্য: মানবাধিকার হলো মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণের কারণে প্রাপ্ত সহজাত ও সার্বজনীন অধিকার। অপরদিকে, মানবাধিকারের যেসব অংশ কোনো রাষ্ট্রের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রের দ্বারা নিশ্চিত ও সংরক্ষিত হয়, সেগুলোকে মৌলিক অধিকার বলে।

    ২. ভৌগোলিক পরিধি: মানবাধিকার আন্তর্জাতিক ও সার্বজনীন, যা বিশ্বের সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য। অন্যদিকে মৌলিক অধিকার নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে কার্যকর হয়।

    ৩. আইনগত বলবৎযোগ্যতা: মৌলিক অধিকার দেশের সংবিধান ও আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য এবং এটি ক্ষুণ্ন হলে নাগরিকরা আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন। কিন্তু মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে আন্তর্জাতিক পর্যায় ছাড়া সরাসরি স্থানীয় আদালতে সব সময় আইনগত প্রতিকার পাওয়া যায় না।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর পরিপূরক ও অবিচ্ছেদ্য। অধিকারের মধ্যেই যে কর্তব্য নিহিত রয়েছে, তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে যথার্থ।

    অধিকার ভোগ করতে হলে নাগরিককে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। প্রথমত, একজনের অধিকার অন্যের কর্তব্যের ওপর নির্ভরশীল। যেমন—আমি বাঁচার অধিকার ভোগ করব, এর অর্থ অন্যের জীবন রক্ষা করা আমার কর্তব্য। দ্বিতীয়ত, নিজের অধিকার ভোগের পাশাপাশি অন্যের একই অধিকারকে স্বীকার ও শ্রদ্ধা করা আমাদের কর্তব্য। তৃতীয়ত, রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকার ভোগ করার বিনিময়ে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, কর প্রদান, আইন মান্য করা এবং সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নাগরিকের আবশ্যিক কর্তব্য।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, সুইডেন ও নরওয়ের নাগরিকগণ শুধু তাদের অধিকার ভোগ করেন না, বরং অধিকারের পাশাপাশি নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও অত্যন্ত সচেতন। অধিকারবিহীন কর্তব্য অর্থহীন এবং কর্তব্যবিহীন অধিকার স্বেচ্ছাচারিতার রূপ নেয়। সুতরাং, অধিকার ও কর্তব্য একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ এবং অধিকার ভোগের দাবির মধ্যেই মূলত কর্তব্য পালনের অঙ্গীকার নিহিত থাকে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন