Combined Board রাজশাহী, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

22টি প্রশ্ন

  1. 1.

    একটি রাজ্যে ভিনদেশি বণিকরা বাণিজ্য করতে আসে। সেই রাজ্যের রাজার সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বণিকদের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। রাজার সেনাপতি চক্রান্ত করে বিদেশি বণিকদের সাথে যোগ দেয়। ফলে যুদ্ধে রাজা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন।

  2. 2.

    একদল ব্যবসায়ী বাণিজ্য করার জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় আগমন করে। সেখানে তারা লক্ষ্য করে যে, বাণিজ্য করার চেয়ে শাসন ক্ষমতা দখল করতে পারলে অনেক বেশি লাভবান হতে পারবে। 'তারা কৌশলে সেই অঞ্চলের ক্ষমতা হস্তগত করে। আর্থিক ক্ষমতা তারা নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। এ সময় ঐ অঞ্চলে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

  3. 3.

    মি. জোসেফ একজন উদারনৈতিক শাসক ছিলেন। তিনি সংবাদপত্রগুলোকে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা প্রদান করেন। সাত বছরের নিচের শিশুদের কারখানায় শ্রমিকের কাজ করা আইন করে বন্ধ করেন। দেশের মানুষকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।

  4. 4.

    একটি বৃহৎ রাষ্ট্রে সকল জনগণের স্বার্থে একটি রাজনৈতিক দল গঠিত হয়। কিন্তু সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ঐ রাজনৈতিক দলের নিকট বৈষম্যের স্বীকার হয়। ফলে তারা নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য পৃথক রাজনৈতিক দল গঠন করে। শাসকগোষ্ঠী নতুন রাজনৈতিক দলকে স্বাগত জানায় এবং তাদের দাবি-দাওয়া পূরণ করে।

  5. 5.

    মি.শেফার্ড তার নিজ সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা আবাসভূমি গঠনের লক্ষেশাসক শ্রেণির নিকট একটি প্রস্তাব পেশ করেন। এই প্রস্তাবে বলেন যে, একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে, অঙ্গারাজ্যগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় মি, শেফার্ডের প্রস্তাবকে 'পাপ কাজ' বলে মন্তব্য করে।

  6. 6.

    একটি রাজ্যকে প্রায় ২০০ বছর শাসন করার পর জনৈক শাসকগোষ্ঠী এক আইনের মাধ্যমে দুই ভাগে ভাগ করতে বাধ্য হয়। ভাগ দুটি হয় মূলত ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে। দুটি রাষ্ট্র আলাদা হয়ে গেলেও মাঝে মাঝে তাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং সম্পর্কের টানাপোড়ন চলতে থাকে।

  7. 7.

    নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

  8. 8.

    মি.ফ্লেচার একজন স্বৈরাচারী শাসক ছিলেন। তিনি জনসাধারণের মৌলিক অধিকার হরণ করেন। নিজের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য একটি লোক দেখানো নির্বাচন আয়োজন করেন। এই নির্বাচনে মাত্র অল্প কিছু লোক ভোট দিতে পারতো। এর ফলে মি. ফ্লেচারের বিরুদ্ধে জনরোষ সৃষ্টি হয় এবং তার পতন ঘটে।

  9. 9.

    'ক' রাজ্যের দুটি অংশ ছিল। অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র কিন্তু জনবহুল অঞ্চলটি পদানত করে রাখার জন্য এক রাতের আধারে নির্বিচারে মানুষ হত্যা শুরু করে। ঐ অঞ্চলের জনগণ পাল্টা জবাব হিসেবে যুদ্ধ শুরু করে। শেষ পর্যন্ত, শাসকগোষ্ঠী পরাজিত হয় এবং একটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম লাভ করে।

  10. 10.

    মেগালানে স্বৈরশাসক নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করলে বিশ্ববাসী এর তীব্র নিন্দা জানায়। মেগালানের জনগণকে সহায়তা করার জন্য পাশের দেশের একজন বিখ্যাত সংগীত শিল্পী ও তার দল এক সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন করে। উক্ত অনুষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত অর্থ তারা মেগালানের অসহায় জনগণকে দান করে।

  11. 11.

    সেডান রাজ্যে যুদ্ধ শুরু হলে 'X' নামক পরাশন্তি সেডানের জনগণের পক্ষ না নিয়ে শাসকের পক্ষ অবলম্বন করে। যুদ্ধে সেডানের শাসককে সাহায্য করার জন্য অস্ত্র সরবরাহ করে, এমনকি যুদ্ধ জাহাজও প্রেরণ করে। কিন্তু 'Y' নামক অপর পরাশক্তি 'X' কে হুমকি দিলে যুদ্ধজাহাজ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। অবশেষে সেডান রাজ্য ভেঙ্গে যায় এবং নতুন একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

  12. 12.

    ঘটনা ১: রাকিব সাহেব তাঁর সন্তানদের উপদেশ দিলেন যে, তোমরা শ্রমিকের মজুরি ইনসাফের ভিত্তিতে যথাসময়ে প্রদান করবে। বাড়ির কাজের লোকদের প্রতি সদাচরণ করবে। ঘটনা ২: জামিল সাহেব তার স্ত্রীর সাথে প্রায়শই খারাপ আচরণ করেন। তিনি মেয়েকে একজন অযোগ্য পাত্রের সাথে বিয়ে দিয়ে পণ হিসেবে অনেক টাকা-পয়সা নেন এবং নিজের বিলাসিতায় উক্ত অর্থ ব্যয় করেন।

  13. 13.

    ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন 'ম্যাগনাকাটা' দলিলে স্বাক্ষর করেন। রাজার অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য সামন্তরা রাজাকে বন্দি করে এবং উক্ত দলিলে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন। ফলে জনগণের অধিকার বহুলাংশে রক্ষা পায়। রাজা স্থানীয় প্রধানদের সম্মতি ব্যতীত সম্পদ ও সম্পত্তি হস্তগত করার অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। জনগণের সাধারণ অধিকার ও মানবাধিকার রক্ষার পথ উন্মুক্ত হয়।

  14. 14.

    ঘটনা ১: বাংলাদেশে অসংখ্য মাজার রয়েছে। এই মাজারগুলোতে ভন্ড সাধু ও সেবকরা মাজারে শায়িত পিরের আদি ভৌতিক ও অতিলৌকিক ক্ষমতার গুণকীর্তন প্রকাশ করে বিভিন্নভাবে অর্থ উপার্জন করে। মূলত এটিই হলো ধর্ম-ব্যবসা। ঘটনা ২: জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও দেশের মানুষের সমস্যা, দেশের আর্থিক ও জনকল্যাণমূলক সকল বিষয়ে সংসদে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

  15. 15.

    নিকোপলিশের যুদ্ধ মুসলমান ও খ্রিষ্টানদের মধ্যে ভাগ্য নির্ধারণী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এ যুদ্ধে সুলতান বায়েজিদ পরাজিত হলে তাকে ইউরোপ থেকে বিতাড়িত হতে হতো। এ যুদ্ধে বিজয়ের ফলে ওসমানীয়দের গোটা ইউরোপ বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়। নিকোপলিশের যুদ্ধের পর বলকান অঞ্চলের ওয়ালেচিয়া, স্টাইরিয়া, হাঙ্গেরি, মোবিয়াসহ অধিকাংশ রাজ্য ওসমানীয় সুলতান বায়েজিদের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

  16. 16.

    বাংলাদেশ সরকার রাজস্ব নির্ধারণ ও রাজস্ব আদায়ের জন্য 'জাতীয় রাজস্ব বোর্ড' গঠন করেছে। বোর্ডের প্রধানকে বলা হয় 'চেয়ারম্যান'। রাজস্ব বোর্ডের প্রধান কাজ হলো সংসদ কর্তৃক নির্ধারিত রাজস্ব আদায় করা, হিসাব সংরক্ষণ করা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত কাজ সম্পাদন করা। রাজস্বের প্রধান খাতগুলো হলো আয়কর, ভ্যাট, আমদানি ও রপ্তানি কর, বাণিজ্য কর, সেবা করসহ অন্যান্য খাত।

  17. 17.

    ঘটনা ১: ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর তৎকালীন সরকারপ্রধান অসৎ উদ্দেশ্যে হেফাজতের লোকজন কুরআন পুড়িয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন। ঘটনা ২: রেজাশাহ পাহলভী তার স্বৈরাচারী শাসনের জন্য ইমাম খোমেনিকে হুমকি মনে করে ফ্রান্সে নির্বাসনে পাঠান। কেননা, ইমাম খোমেনি গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য জনগণকে সংগঠিত করে আন্দোলনের ডাক দেন।

  18. 18.

    ইলখানি সুলতান গাজান খান গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা এবং দ্রুত সংবাদ আদান-প্রদানের জন্য ডাক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেন। তিনি সরকারি পত্রাবলি প্রস্তুত ও প্রেরণের জন্য একটি পৃথক দপ্তর সৃষ্টি করেছিলেন। মূলত সরকারি পত্রাদির জাল প্রতিরোধ করার জন্যই তার ব্যবস্থা কার্যকর ছিল।

  19. 19.

    ব্রিটিশ সরকার ভারতে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফারসি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি ভাষার প্রচলন করেন। ফলে ভারতের মুসলমানদের বৃহদাংশ ইংরেজি না জানার কারণে চাকরি হারান। মুদ্রার ক্ষেত্রেও তারা প্রচলিত মুদ্রা বাতিল করে নতুন উপনিবেশিক মুদ্রা-ব্যবস্থা চালু করেন।

  20. 20.

    তৈমুর লং একজন ভাগ্যাহত ভবঘুরে থেকে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ বিজেতা হিসেবে আত্মবিকাশ করেন। তিনি মধ্য এশিয়া-পারস্য থেকে কৃষ্ণসাগরের তীর পর্যন্ত জয় করে বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। তিনি সমকালীন বিশ্বের নয়টি রাজ্যের ২৭ জন নৃপতিকে পরাজিত করেছিলেন। তিনি শুধু একজন বিজেতাই ছিলেন না, একজন সাহিত্য ও শিল্পকলারও অনুরাগী ছিলেন। তিনি চাগতাই-তুর্কি ভাষায় তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'মুলফুজাত-ই-তৈমুরী' রচনা করেন।

  21. 21.

    উসমানীয় সাম্রাজ্যের মহাসংকটকালে কুপ্রিলি পরিবারের অভ্যুদয় ঘটে। এই পরিবার প্রতিভাবান কয়েকজন রাজনীতিবিদের জন্ম দেয়। কুপ্রিলি উজির পরিবারের কর্মতৎপরতায় সাম্রাজ্যে স্থায়িত্ব ও শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং ভঙ্গুর সাম্রাজ্য উন্নতির দিকে ধাবিত হয়। এই উজির পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুহাম্মদ কুপ্রিলি। তিনি আলবেনিয়ার কুপ্রিল শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে তার প্রতিষ্ঠিত পরিবার 'কুপ্রিলি উজির' নামে পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু সুলতান চতুর্থ মুহাম্মদ স্বজনপ্রীতি করে কারা মোস্তফাকে উজির নিয়োগ করলে ১৬৫৬ সাল থেকে চলে আসা কুপ্রিলি উজির পরিবারের শাসনকালের অবসান ঘটে ১৬৮১ সালে।

  22. 22.

    চেঙ্গিস খান একজন রক্তপিপাসু নিষ্ঠুর-প্রকৃতির শাসনকর্তা ছিলেন। এ জন্য তার উপাধি ছিল 'জগতের ত্রাস' বা 'বিশ্বত্রাস'। তিনি মোজঙ্গল জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি বিশাল সাম্রাজ্যের অধিকারী হন। তিনি ছিলেন ওয়াদা ভঙ্গকারী শাসক। তিনি বিজিত রাজ্যের উপর নিপীড়ন-নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতেন। অন্যদিকে, মধ্য এশিয়ার আরেকজন শাসক শাহরুখ জ্ঞান-বিজ্ঞান বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার জন্য একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।