Combined Board ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
22টি প্রশ্ন
- 1.
রূপপুর গ্রামের কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে মহাজনদের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আসছে। চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তারা তা পরিশোধ করতে পারে না। ফলে ঋণের দায়ে জমি ভিটাবাড়ি সবই মহাজনদের হাতে তুলে দিতে হয়। সোহান গ্রামের একজন সচেতন মানুষ। তিনি মহাজনদের হাত থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন। শুরু হয় বিরোধ। শেষ পর্যন্ত মহাজনদের হাতেই তিনি নিহত হন।
- 2.
১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন, যিনি আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট। সেখানে ব্রিটিশদের ১৩টি উপনিবেশ ছিল। এই ১৩টি উপনিবেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্য থাকলেও তারা যুদ্ধকালীন সময়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে ১৭৮৩ সালে প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করে।
- 3.
১৯৩০ এর দশকে কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিরুদ্ধে ভারতে তিনটি ষড়যন্ত্র মামলা রুজু করা হয়। এগুলো হল পেশোয়ার ষড়যন্ত্র মামলা, মিরাট ষড়যন্ত্র মামলা ও কানপুর ষড়যন্ত্র মামলা।
- 4.
'Z' একটি বড় রাজ্যের শাস্ত্রক্ষমতা হাতে পাওয়ার পর আশেপাশের ক্ষুদ্র রাজ্যগুলোর দিকে দৃষ্টি দেন। তিনি দেখেন যে, পরস্পর বিবদমান ক্ষুদ্র রাজ্যগুলো তার সাহায্য গ্রহণে উদগ্রীব। তিনি সুযোগটি কাজে লাগান। 'Z' কিছু শর্তসাপেক্ষে সামরিক সাহায্য দিয়ে তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেন।
- 5.
অস্ট্রেলিয়ায় বহু জাতির লোক বাস করে। সেখানে প্রথমবারের মতো মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব করার ঘোষণা দিয়ে 'অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম পার্টি' নামে একটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে, যদিও। অস্ট্রেলিয়ায় অনেকগুলো রাজনৈতিক দল রয়েছে যারা মুসলিমদের বিরোধিতা করে।
- 6.
২০১৪ সালে বলিভিয়ায় সামরিক বাহিনীর সদস্যরা উন্নত পরিবেশ ও জীবনমান বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ করে। বিদ্রোহী সৈন্যদের। বহিষ্কার করে বিদ্রোহ দমনে সক্ষম হন দেশটির প্রেসিডেন্ট। পরবর্তীতে তিনি সেনাবাহিনীতে ব্যাপক সংস্কার করেন।
- 7.
মি. সোহান একটি কোম্পানির দুর্দিনে তার কর্ণধার হিসেবে নিযুক্তি পান। কোম্পানিটির উন্নতির জন্য তিনি ব্যয় সংকোচন ও বিভিন্ন প্রশাসনিক সংস্কার কাজের মাধ্যমে একে পতনের হাত থেকে রক্ষা করেন। কোম্পানির উন্নয়নের স্বার্থে তিনি কোনো ন্যায়-নীতির তোয়াক্কা করতেন না। ব্যক্তিগতভাবেও তিনি ছিলেন চরম দুর্নীতিপরায়ণ। শেষ পর্যন্ত তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়।
- 8.
উনবিংশ শতাব্দীর শেষে ইহুদি সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠনগুলো একটি পৃথক আবাসভূমির দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠে। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার জেমস বেলফোর ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে এক ঘোষণায় প্যালেস্টাইনে একটি ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের কথা বলেন। সেই মর্মে ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- 9.
ইসলামপূর্ব যুগে আরবে নারীর কোনো সামাজিক মর্যাদা ছিল না। আরবরা এ সময় কন্যা সন্তান জন্ম নিলে তাকে জীবন্ত কবর দিত। তারা কন্যা সন্তানকে হত্যা করে গর্বিত পিতার সম্মান অর্জন করত। ইসলামের প্রচার ও প্রসারের পর সমাজে নারীর অবস্থার উন্নয়ন ঘটে এবং তাদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- 10.
‘ক' রাষ্ট্রে বহুদিন ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে বসবাস করে আসছে। এক সময় ঐ অঞ্চলে একটি বড় বিদ্রোহ সংঘটিত হলে শাসকবর্গ পিছিয়ে থাকা সম্প্রদায়কে দায়ী করে। ঐ সময়ে সেখানে দোষী সম্প্রদায়ের ত্রাণকর্তা হিসেবে একজন মনীষীর আবির্ভাব ঘটে। তিনি তার সম্প্রদায়কে সকল গোঁড়ামি ত্যাগ করে ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শাসকের সাথে দূরত্ব কমিয়ে আনার পরামর্শ দেন। এজন্য তিনি বিভিন্ন সভা, সমিতি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আন্দোলন গড়ে তোলেন। ফলে তার সম্প্রদায়ের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও সচেতনতা গড়ে ওঠে।
- 11.
'ক' দেশের কিছু বণিক ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য 'খ' দেশে আসে। তারা 'খ' দেশে বাণিজ্য করতে এসে সেখানে সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখে। ফলে 'খ' দেশে বাণিজ্য করতে আসা অন্য বণিকদের সাথে ক্রমাগত যুদ্ধ বিগ্রহে লিপ্ত থাকে। এক পর্যায়ে তারা 'খ' দেশের জনগণের ওপর নির্যাতন, লুণ্ঠন ও জোরপূর্বক মানুষকে ধরে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি করতে থাকলে দেশীয় রাজা তাদের উপর রুষ্ট হন। ফলে তারা ঐ দেশ হতে বিতাড়িত হয়।
- 12.
শাসনক্ষমতা লাভের পর মি, রহিমকে অনেক সমস্যা ও বাধা- বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। তাঁর সময় ভন্ড ধর্ম প্রচারকদের উদ্ভব, করবিরোধী আন্দোলন ও স্বধর্মত্যাগীদের বিদ্রোহ রাষ্ট্রের ধর্মব্যবস্থার ওপর আঘাত হানে। তিনি সাহস ও দৃঢ়তার সাথে এ জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। বিশ্বস্ততার জন্য তাঁকে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- 13.
'ক' রাজ্যের ধর্মীয় নেতা মি. এন্থনি যখন জনসমক্ষে আসেন তখন সবাই অবাক। তিনিও তো তাদের মতো একজন সাধারণ মানুষ। অথচ একদল পুরোহিত বলে আসছিল যে তিনি মানুষ নন, বরং দেবতা। পুরোহিতদের বলা এসব কাহিনি যখন ধর্মীয় নেতার গোচরে আসে তখন তিনি তাদের কঠোর শাস্তি দেন। অতঃপর জনগণকে সাথে নিয়েই তিনি 'ক' রাজ্য প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন ।
- 14.
পবন চৌধুরী মরিচপাশা গ্রামের জমিদার পরিবারের সন্তান। তিনি উচ্চশিক্ষিত ও পৈতৃকসূত্রে বিশাল সম্পদের অধিকারী। এলাকার মানুষের শিক্ষার উন্নতির জন্য তিনি একটি গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেছেন। দেশ-বিদেশের বহু গ্রন্থ সংগ্রহ করে তিনি এটিকে সমৃদ্ধ করে তুলেছেন। পবন চৌধুরীর এই গ্রন্থাগারের সুনাম শুনে দূর-দূরান্ত থেকে বহু জ্ঞানপিপাসু মানুষ এখানে ছুটে আসেন।তিনি এই গ্রন্থাগার পরিচালনায় প্রচুর টাকা খরচ করেন।
- 15.
আজমপুরের খান বংশের ব্যবসায়ী দাউদ খান তালুকদার বংশের হান্নান সাহেবের সঙ্গে এক সংঘর্ষে পরাজিত হয়ে জমিদারি হরন। বিজয়ী হান্নান সাহেব খান বংশের লোকদের উপর নির্মমভাবে অত্যাচার চালান। তার অত্যাচার থেকে কোনোক্রমে রেহাই পেয়ে খান বংশের সন্তান কবির মাহমুদ মাতুলালয়ে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে ভাগ্যান্বেষণে তিনি পার্শ্ববর্তী রাজনগরে স্বাধীন জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন।
- 16.
সুলতানি ও মুঘল আমলে ভারতে ফার্সি ভাষায় সরকারি কার্যক্রম চলত। কিন্তু পলাশী যুদ্ধের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। শাসনক্ষেত্রে বৃটিশরা ইংরেজি ভাষার প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে অনুভব করে। এরই প্রেক্ষিতে তারা ভারতে ইংরেজি সংস্কৃতি চালু করে।
- 17.
ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়। ব্রিটিশ আইনসভা ঘ্নিকক্ষ বিশিষ্ট। উচ্চ কক্ষের নাম হাউস অব কমন্স ও নিম্ন কক্ষের নাম হাউস অব লর্ডস। মূলত, হাউস অব কমন্সে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ ঐক্যমতের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অপরদিকে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত হাউস অব লর্ডসের সদস্যগণ দেশের সার্বিক বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করে সুচিন্তিত মতামত প্রদান করেন।
- 18.
চেঙ্গিস খান শুধু তার নিজস্ব বীরত্বে বিশাল সাম্রাজ্যের অধিকারী হতে পারেননি। দক্ষ সেনাপতির রণনিপুণতাই তার সাম্রাজ্যের উচতির প্রধান কারণ ছিল। তাছাড়া সাম্রাজ্য বিস্তার করেই তিনি ক্ষান্ত কামি। চেঙ্গিস খান তার বিশাল সাম্রাজ্যকে 'উত্তরাঞ্চল' ও 'দক্ষিণাঞ্চল' রথক দুটি প্রধান উইংয়ে বিভত্ত করে সেখানে দুইজন দক্ষ প্রতিনিধি। এংগে করেছিলেন। তারা দুজনই পরস্পর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে রাজ্য ধন্তর করতেন। তবে এদের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রতিনিধি মেঙ্গু খান ছলেন খুবই নৃশংস।
- 19.
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে মাসব্যাপী বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এ মেলায় ক্রেতা, বিক্রেতা, দর্শনার্থী, শিল্পী, সাহিত্যিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। উন্মুক্ত মঞ্চে প্রতিদিন আবৃত্তি, সঙ্গীত, প্রকাশনা উৎসব ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর সাহিত্যকর্মের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- 20.
বদশা নাসিরউদ্দিন বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি হওয়া সত্ত্বেও সহজ, সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন। তার কোনো দাস-দাসী। ছিল না। তিনি ব্যক্তিগত ও সাংসারিক প্রয়োজনে সরকারি কোষাগার থেকে কোনো অর্থ খরচ করতেন না। কুরআন শরিফ নকল ও টুপি সেলাই। করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি খুলাফায়ে রাশেদিনের আদর্শ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন। প্রশাসনিক কাজের চেয়ে তিনি ধর্মীয় কার্যাবলিকে অধিক গুরুত্ব দিতেন।
- 21.
সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশ দক্ষিণ সুদান। স্বাধীনতা লাভের পর দেশের প্রতিটি নাগরিকের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষার জন্য একটি সংবিধান প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়ে। এ নিয়ে সরকারপ্রধান রাষ্ট্রের অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে সংবিধান রচনা করেন। এর ফলে সকলের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত। হওয়ার পাশাপাশি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
- 22.