Combined Board কুমিল্লা, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭

22টি প্রশ্ন

  1. 1.

    একটি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। উভয় রাষ্ট্রই আগ্রাসি কর্মকাণ্ড চালায়। দুটি রাষ্ট্রই একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রতিকার চায়। শান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা প্রশংসনীয়।

  2. 2.

    ‘নাহার' নামক একটি কারখানায় শ্রমিক বিপ্লব সংঘটিত হয়। ফলে শ্রমিকরা শিক্ষা লাভের সুযোগ পায়। তাদের মধ্যে সম্প্রীতি গড়ে ওঠে। ধনী-গরিবের বৈষম্য দূর হয়।

  3. 3.

    উর্নিশ শতকের শেষভাগে ইউরোপের একটি দেশে শত শত বছরের নির্যাতিত-শোষিত শ্রেণি শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। অকর্মণ্য ও বিলাসপ্রিয় শাসকদল বঞ্চিত শ্রেণির ক্ষোভের মুখে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়। ক্ষমতার পালাবদলে শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি শাসনক্ষমতা লাভ করে। ফলশ্রুতিতে শাসনব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন সাধিত হয়।

  4. 4.

    সুদীর্ঘকাল ধরেই ইউরোপীয়রা 'Y' দেশের লোকদের ঔপনিবেশিক শাসনে নিষ্পেষিত করছে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে তাদের অপমানিত ও বঞ্চিত করছে। এ অমানবির নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে এক মহান ও অবিসংবাদিত সংগ্রামী নেতার নেতৃত্ব ঐ দেশের জঘন্য নীতির মৃত্যু নিশ্চিত করে। জয় হয় কালো মানুষের।

  5. 5.

    'নড়' নামে একটি অঞ্চলের রাজা জনগণের মতামত ও অধিকারকে গুরুত্ব দিত না। এমনকি ন্যায্য অধিকারকেও অস্বীকার করতো। উপরন্তু তাদেরকেই করের বোঝা বহন করতে হতো। এমতাবস্থায় ঐ সুবিধাবঞ্চিতরা একদিন রাজাকে পদচ্যুত করেন। ঐ অঞ্চলের একজন সেনাপতিই শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় আরোহণ করেন। তিনি বহু সংস্কার সাধন করেন। দেশকে দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেন।

  6. 6.

    সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

    প্রাচীনকালে বাংলার হস্তশিল্পের মাধ্যমে উৎপন্ন সূক্ষ্ম সুতি বস্তু এদেশের চাহিদা মিটিয়ে বিলেতে রপ্তানি হতো। কালের ব্যবধানে যন্ত্রচালিত শিল্পের আবির্ভাব ঘটে এবং বিলুপ্তি ঘটে হস্তশিল্পের। ফলে উৎপাদনের মাত্রা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। ব্যাংক-বিমাসহ নানামুখী আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। প্রয়োজন দেখা দেয় নতুন বাজার অন্বেষণের।

  7. 7.

    যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা বিকশিত হয়।

  8. 8.

    মানিকদী একটি বৃহৎ 'পৌরসভা, যার অধীনে অনেকগুলো ওয়ার্ড রয়েছে। উক্ত পৌরসভার বর্তমান মেয়র পূর্ববর্তী মেয়রের আগ্রাসী নীতি পরিত্যাগ করেন। তিনি খোলামেলা নীতি গ্রহণ করেন। কিছু সংস্কার কর্মসূচিও গ্রহণ করেন। এতদ্বসত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত আর্থ-সামাজিক। অগ্রগতি অর্জিত হয়নি। ফলে ওয়ার্ডগুলো স্বাধীনতা চায় এবং শেষ পর্যন্ত পৌরসভা ভেঙে পড়ে।

  9. 9.

    ১৭ 'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

  10. 10.

    অষ্টাদশ শতকে 'X'একজন স্বৈরাচারী রাজা ছিলেন। তিনি রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রেই কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতেন। পাশাপাশি একটি সামাজিক শ্রেণি ও বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতো। অন্যদিকে সুবিধা বঞ্চিত শ্রেণিটির পক্ষে কিছু সংখ্যক মহান লেখক অন্যায়-নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। তাদের লেখনী রাজার ক্ষমতাকে জোরালোভাবে আঘাত করে।

  11. 11.

    পাকিস্তান আমলে বাংলার শ্রমিক কৃষকসহ সকলস্তরের জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণে একটি সর্বাত্মক জনযুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধ ছিল শোষকের বিরুদ্ধে এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই যুদ্ধে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

  12. 12.

    অজয়নগর ও বিজয়নগর পাশাপাশি অবস্থিত দুটি গ্রাম। শাহাদত সাহেব অজয়নগর গ্রামের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি, অন্যদিকে আমিন সাহেব বিজয়নগরের একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। দুজনেরই শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী আছে, যারা ছোটখাটো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। কিছুদিন আগে শাহাদত সাহেবের এলাকা থেকে আমিন সাহেবের লোকজন শস্য ও গবাদি পশু জোর করে নিয়ে যায়। শাহাদত সাহেব আমিন সাহেবের কাছে এর বিচার চান। আমিন সাহেব তাতে কর্ণপাত করেননি। এতে শাহাদত সাহেব রাগান্বিত হয়ে আমিন সাহেবের এলাকায় হামলা চালান। আমিন সাহেব তা প্রতিহত করতে গিয়ে পরাজিত হন এবং তিনি নিজেও প্রাণ হারান।

  13. 13.

    অনলাইন শপিং এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। মানুষের ব্যস্ততা ও কর্মপরিধি বাড়তে থাকায় তারা আজ বাজারে যাবার পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছে না। তাছাড়া প্রতিটি পণ্যের দাম নির্ধারিত থাকায়, সঠিক ওজন ও পণ্যের গুণগত মানের নিশ্চয়তা বিধান করায় এ শপিং ব্যবস্থার উপর ক্রেতাদের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। পণ্যের সরবরাহ নির্বিঘ্ন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, দ্রব্য সামগ্রীর বিপুল সমাহার ও বৈচিত্র্য থাকায় অনলাইন শপিং মানুষের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় করছে।

  14. 14.

    আউচ্চাভিলাষী জমিদার প্রবাল রায়ের অত্যাচার ও কঠোর কর আদায় নীতির কারণে সাধারণ প্রজাগণ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বন্ধ করে দেয়, কৃষক কৃষিকাজ ফেলে পালিয়ে যায়। বিদ্রোহ দমন করতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে চাচাত ভাই শ্যামল রায় নিজ ইচ্ছার বিরুদ্ধে জমিদারির দায়িত্ব নেন। তিনি জমিদারের প্রতি প্রজাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক জনকল্যাণকর কাজ করেন। তিনি সাধারণ প্রজার বকেয়া কর মাফ করে দেন। আবার ঋণ প্রদান করেন। তবে অধিক হারে ঋণ প্রদান ও বেহিসেবি দান-খয়রাতের ফলে রাজকোষে প্রচণ্ড অর্থ ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে জমিদারির দুরবস্থার জন্য তাকে দায়ী করা হয়।

  15. 15.

    জামান চৌধুরীর শাসনকালের শেষদিকের অবস্থা ভালো ছিল না। তার চার পুত্রের মধ্যে সিংহাসনের উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক দ্বন্দ্ব হয়। পুত্রদের মধ্যে একজন ক্ষমতা দখল করে চৌধুরী সাহেবকে বন্দি করেন। বন্দি অবস্থায় দশ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

  16. 16.

    সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যানধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্যবাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদমর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজকর্মকর্তাদের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

  17. 17.

    পবিত্র হজ পালনের জন্য জনাব হারুন সাহেব সৌদি আরব গমন করেন। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হিসেবে সেদেশের মানুষের ধর্মীয় অনুশাসন ও আচার-আচরণ তিনি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। দীর্ঘদিন সেদেশে অবস্থান করে তিনি নিজ দেশে ফিরে আসেন। স্বদেশে ফিরে এসে দেখেন, মানুষ নানাবিধ ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারে লিপ্ত। এক শ্রেণির মানুষ মাজারে গিয়ে মানত করছে, সেজদা করছে, পিরের মুরিদ হয়ে পরস্পর হানাহানিতে লিপ্ত আছে। এহেন অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড তাকে মর্মাহত করে। তিনি ঐ সব বিপথগামী মুসলমানদের ইসলামের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আত্মনিয়োগ করেন। এর ফলে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।

  18. 18.

    চাকলা রোশনাবাদ পরগনার রাজা মানিক্য বাহাদুর শাসন পরিচালনায় নানাবিধ অসুবিধায় সম্মুখীন হন। সমতলে সাধারণ বাঙালি, কৃষক, প্রজা, পাহাড়ি ত্রিপুরাসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র উপজাতি প্রজার বসবাস। একদিকে হিন্দু, মুসলিম ও পাহাড়িদের ধর্মীয় বিরোধ, অন্যদিকে স্বাধীনতাকামী প্রজার জমিদারি প্রথা বিরোধী হিংসাত্মক আন্দোলন তাকে ব্যতিব্যস্ত করে ফেলে। জমিদারবিরোধী আন্দোলন প্রশমনের জন্য তিনি কৌশলে প্রজাদের ধর্মীয় বিরোধে প্রণোদনা দেন। এতে ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রকট হলে, তিনি পরগনাকে দুইভাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। একদল মানুষ তার পরগনা বিভক্তিকে সমর্থন করলেও আরেক দল এর তীব্র প্রতিবাদ করে। পরিশেষে তিনি পরগনা ভাগের সিদ্ধান্ত বাতিল করেন।

  19. 19.

  20. 20.

    আলভী গার্মেন্টস এর কর্ণধার কাদের চৌধুরী তার অথীনে কর্মচারীদের নিয়োগ বিধি মোতাবেক প্রাপ্য মজুরি বোনাস, ম্যাম্যসম্মত পরিবেশ ইত্যাদি সুবিসা বসা প্রদানে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত করে আসছিল এতে বিষ্ণুপ কর্মচারীর একত্রিত হয়ে দাবি আদায়ে শ্রমিক সংঘ গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করে চরে আন্দোলনের চাপে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের দাবি মেনে নেওয়া হলেও পরবা বিবর্তী দিভিন্ন অজুহাত ও কৌশালে মালিক তাদের ঐক্য ভেঙে দেয় এবং কঠোর সিসান্তদের মাধ্যমে একজর কর্তৃত্ব স্থাপন করে।

  21. 21.

    পাআপুর ড়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদটি দক্ষিণ অঞ্চলের অধিকারে ছিল এর ফলে ফলে উন্নয়নমূলক কাজ উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলে বেশি হয়েছে স্কুল, ডাকঘর, কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ, রাস্তাঘাট, বাজার দক্ষিণভাগেই স্ব্যাপিত হয় এলাকার লোকজনকে যে কোনো প্রয়োজনে দক্ষিণান্যালের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ প্রভাবশালী ও স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে। তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি ও স্বেচ্ছাচারিতায় উত্তরাঞ্চলের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারল চেয়ারম্যান পদ উত্তরাখালের দখলে না আসা পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলের অত্যাচার হতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উত্তরের সকলে জোটবদ্ধ হয়ে উত্তরের প্রার্থীকে ভোট দিল। ফলে উত্তরের প্রার্থী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলো। কিন্তু নানা কৌশলে দক্ষিণের লোকজন নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে তার পদে বসতে বাধা দিল।

  22. 22.

    সীমাহীন বৈষম্য, অত্যাচার ও নিপীড়নের কারণে ভিয়েতনামের দুই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিশাল অসমতা তৈরি হয়। এর ফলে গত শতাব্দীর মাঝামাঝিতে ভিয়েতনামের দুই অংশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের এক পর্যায়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামের একজন সামরিক কর্মকর্তার নির্দেশে উত্তর ভিয়েতনামের একটি অংশে মানবতাবিরোধী ঘৃণ্য ও বর্বর হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এতে বহু নিরাপরাধ ও নিরস্ত্র নারী-পুরুষ এবং শিশুদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডটি তাদেরকে বিশ্ববাসীর ঘৃণার পাত্রে পরিণত করে। অবশেষে একটি চুক্তির মাধ্যমে এ যুদ্ধের অবসান হয়।