Combined Board রাজশাহী, বরিশাল বোর্ড ২০২১

33টি প্রশ্ন

  1. 1.

    আদনান একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ভর্তির সময় এমন বিষয় পছন্দ করল, যা অধ্যয়নে আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক জীবনযাপন করা যায়। ফলে সে নিজেকে স্রষ্টার নিকট সম্পূর্ণরূপে সোপর্দ করল। তার দিকনির্দেশনায় বোন রহিমাও একটি জায়গায় প্রতিদিন গিয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করে। রহিমা এখন কাজের শুরুতে, খাদ্য গ্রহণে, পারস্পরিক সাক্ষাতে বিশেষ পরিভাষা ব্যবহার করে।

  2. 2.

    রহিম সাহেব একজন ব্যবসায়ী। তিনি পণ্যের দোষত্রুটি বিক্রেতার নিকট গোপন করেন না, ওজনে কম দেন না, ব্যবসায় লোকসানের সম্মুখীন হলে বিচলিত না হয়ে সৎভাবে ব্যবসা করতে থাকেন। অপরদিকে তার ভাই করীম সাহেব বেশী লাভের আশায় মাছে ফরমালিন মিশিয়ে বিক্রি করেন এবং ওজনে কম দেন।

  3. 3.

    জনাব কায়সার তার স্ত্রী মমতাজ বেগমের সাথে প্রায় ঝগড়া করেন। তিনি নিজে দামি ও সুন্দর পোশাক পরলেও স্ত্রীর ব্যাপারে যত্নশীল নন। পক্ষান্তরে, মমতাজ বেগম সাধ্যমত স্বামীর সেবা যত্ন করেন, তার আদেশ মান্য করে চলেন এবং সর্বদা তাকে খুশি রাখার চেষ্টা করেন।

  4. 4.

    এক ধনাঢ্য ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে দরিদ্রদের মাঝে কাপড় প্রদানের ঘোষণা দেন। এতে শত শত দরিদ্র নারী-পুরুষ ভীড় জমায়। ভীড়ের মাঝে কাপড় প্রদান শুরু হলে পদপিষ্ট হয়ে কয়েকজন মারা যান। সাংবাদিকরা এ বিষয়ে একজন ইসলামিক স্টাডিজের অধ্যাপককে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, "হকদার তথা দরিদ্রদের নিকট তাদের প্রাপ্য পৌছে দেয়া ধনাঢ্য ব্যক্তির কর্তব্য।"

  5. 5.

    নাসের ও হেলাল একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করেন। নাসের ফাইল আটকিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আয় করেন। পক্ষান্তরে, হেলাল অফিসে যথাসময়ে হাজির হন এবং একদিন দেরিতে আসায় অফিস প্রধানের কাছে যথাযথ কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন আমরা যাই করি না কেন একজন সবকিছু দেখছেন।

  6. 6.

    খালিদ সাহেব একজন সরকারি কর্মকর্তা। রহিমা খাতুন ঐ অফিসের আয়া। অন্যেরা তাচ্ছিল্য করে কথা বললেও খালিদ রহিমাকে সম্মান দিয়ে কথা বলেন এবং তার কাছে কোনো কাজে গেলে তাকে চেয়ারে বসতে দেন। একই অফিসের কর্মচারী শারমিন। তার শিশুটিকে ডে-কেয়ার সেন্টারে রেখে কাজে আসেন। রহিমা খাতুন দেখলেন শিশুটি কান্না করছে। তখন রহিমা তাকে আদর করেন এবং নিজের ব্যাগ থেকে বিস্কুট বের করে খেতে দেন।

  7. 7.

    আবির সাহেব একজন সচেতন মানুষ। তিনি মানুষের সেবায় এগিয়ে আসেন। একদা বাসযোগে ঢাকায় যাত্রাপথে একজন বিকলাঙ্গ ব্যক্তি বাসে চড়ে দাঁড়িয়ে যান। তাকে দেখামাত্র আবির সাহেব তার আসন ছেড়ে বিকলাঙ্গ ব্যক্তিকে বসতে দেন। পক্ষান্তরে আবির সাহেবের ছোট ভাই জনাব আবরার দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে চাকরি করেন। সম্প্রতি তিনি সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধের দায়িত্ব পান। তিনি চোরাচালানীদের কাছে অর্থের বিনিময়ের মাধ্যমে দেখেও না দেখার ভান করেন।

  8. 8.

    পিতা-মাতা, স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ইয়াছিনের পরিবার। পিতা-মাতার সকল চাহিদা যথাসাধ্য পূরণ করার চেষ্টা করেন ইয়াছিন। তার স্ত্রী সেলিনা সাংসারিক কাজ সেরে সন্তানকে পড়াতে বসেন। ইয়াছিন অফিসে যাবার পথে সন্তান দুটিকে স্কুলে রেখে যান, আবার ফেরার পথে তাদেরকে বাসায় নিয়ে আসেন।

  9. 9.

    অধ্যাপক আকরাম হোসেন এক সেমিনারে বলেন, মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। অন্যান্য জীবের প্রতিও তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে। যেমন, তাদের 'কষ্ট না দেয়া, অসুবিধা দূর করা, বিনাশ না করা, প্রয়োজনীয় সহায়তা করা ইত্যাদি। অন্যদিকে মাওলানা ফজলুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের চারপাশের গাছপালা, পশু-পাখি, পাহাড়-পর্বত প্রভৃতি রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে কুরআন ও হাদিসে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।তাই যেখানে-সেখানে মলত্যাগ বা ময়লা ফেলা যাবে না।

  10. 10.

    মাও. কেরামত আলী মানুষের সাথে ভদ্র আচরণ করেন। কেউ কোনো প্রশ্ন করলে যুক্তিপ্রমাণ দিয়ে সেই প্রশ্নের উত্তর দেন। কারও সাথে বিবাদে জড়ান না। একদিন পথে একটি গরুকে পায়ে দড়িবাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তিনি সেটাকে উদ্ধার করেন।

  11. 11.

    আব্দুল খালেক একজন শিল্পপতি। তার কারখানায় কয়েকশ কর্মচারী কাজ করেন। তিনি কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন দেন, প্রয়োজনে ছুটি মঞ্জুর করেন। লভ্যাংশের একটা অংশও কর্মচারীদের মাঝে বণ্টন করেন। আহত কর্মচারীর জন্য ভাতা প্রদান করেন। অন্যদিকে তার বন্ধু আরিফ খান বড় ব্যবসায়ী। তিনি আবাসিক এলাকায় একটি ইটভাটা স্থাপন করেন। তিনি নির্বিচারে গাছ কেটে ইট ভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। এতে ভাটা থেকে কালো ধোঁয়া নির্গত হয়। ঐ এলাকায় অনেকেই কাশি, যক্ষা ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

  12. 12.

    বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমনের মহাবিপদ মানবতার জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। যেমন ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতো অর্থলোভীরা করোনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে অসুস্থ মানুষের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ করেছে। অন্যদিকে বগুড়ায় দরিদ্র নাজিম উদ্দিন তার ঘর বানানোর জন্য জমানো টাকা কর্মহীন, দরিদ্র, ক্ষুধার্ত, অসহায় মানুষের মাঝে চাল, ডাল, আলু বিতরণে ব্যয় করে মানবতার নজির দেখিয়েছেন।

  13. 13.

    ভূমিহীন মোবারক আলীর সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে মাতা গোঁজার ঠাঁই হলেও, রিকশা চালানোর আয় দিয়ে তার সাতজনের সংসার চালানো কষ্টকর। এর মাঝে মহামারী করনার প্রভাবে একদিকে আয় কমেছে, অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে প্রয়োজনীয় খাবারের অভাবে পরিবারের সদস্যর অপুষ্টিতে ভুগছে। রোগ ব্যাধি ছাড়ছেই না। পুরাতন কাপড়ে চলতে হচ্ছে, আর সন্তানদের লেখাপড়া তো চিন্তারই বাইরে।

  14. 14.

    জ্বর-কাশি, শ্বাসকষ্টের জটিলতায় দরিদ্র মুরাদকে সিলেট মেডিকেলে আনার পর হাসপাতালের বিশেষ শাখার সমাজকর্মী তার ভর্তি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধ, অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেন। তিনি রোগীয় ভয়, উৎকণ্ঠা দূর করতে মানসিক সমর্থন প্রদান করেন, এমনকি চিকিৎসা পরবর্তী সুস্থতায় স্বাস্থ্যবিধি পালনে খোঁজ খবর রাখেন।

  15. 15.

    বাবা মায়ের উদাসীনতার সুযোগে দুষ্ট বন্ধুদের প্ররোচনায় কৌতূহলী হয়ে যুবক রবিন প্রথমত সিগারেট, পরে গাজা, ফেনসিডিল একপর্যায়ে আসক্ত হয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এর ভয়াবহতা ক্রমে বাড়ছে এবং আরও উদ্বেগের কারণ হলো ১৫-৪০ বছর বয়সীরা বেশি হারে আসক্ত হচ্ছে। ফলে সৃজনশীল যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে পা বাড়াচ্ছে।

  16. 16.

  17. 17.

    ছেলেবেলায় বাবা মারা যাওয়ার পর চাচার সহযোগিতায় অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে লেখাপড়া শেষ করে রাইতুল ইসলাম প্রথম শ্রেণীর চাকরিতে কর্মরত। মায়ের ইচ্ছায় পারিবারিক সম্মতিতে সমাজ স্বীকৃত পন্থায় ও ধর্মীয় বিধি অনুসারে নাফিসাকে তিনি জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেন। এখন তিনি মা, দুই সন্তানসহ সবাইকে নিয়ে ভালো আছেন।

  18. 18.

    এয়ারপোর্টে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানকৃত স্বর্ণ ধরা পড়ে। এর সাথে সংশ্লিষ্টরা রাজস্ব কর্মকর্তা মুমিনুল হককে এক কোটি টাকা দিতে চাইলেও তিনি তাতে রাজি না হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পরকালের জবাবদিহিতাই তাকে দুর্নীতির ব্যাপকতার মাঝেও ঘুষ গ্রহণ না করে সৎ জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধ করেছে।

  19. 19.

    ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে বিপর্যস্তদের মানবিক ও ত্রাণ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্য একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সংস্থাটি Alleviation of Poverty and Empowerment of Poor স্লোগানকে ধারণ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সাবলম্বীতা অর্জনে ক্ষুদ্রঋণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

  20. 20.

    সরকারি উদ্যোগে ও জাতিসংঘের সহযোগিতায় প্রথমে ঢাকা শহরের কর্মসূচিটি চালু হয়। পরবর্তীতে সরকারের একটি জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে শহরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া বেকার, দরিদ্র, বস্তিবাসী ও স্বল্প আয়েত মানুষদের কারিগরি প্রশিক্ষণ, সুদ মুক্ত ও ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান, আয় বৃদ্ধি তথা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবেশ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

  21. 21.

  22. 22.

    দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য নদী নালায় ফেলার কারনে পানি দুর্গন্ধযুক্ত, মাছশূন্য হওয়ার পাশাপাশি দোয়ার বাতাস দূষিত ও স্বাস্থ্য শক্তিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এছাড়া সবুজ বনাঞ্চল ধ্বংস ও বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ঘনঘন বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোন এর মতো দুর্যোগ প্রায়শই ঘটছে। তবে বৃক্ষ নিধন রোধ করে 'গাছ লাগাও পরিবেশ রক্ষা কর' এই স্লোগানের সঠিক বাস্তবায়ন ঝুঁকি কমানোর সহায়ক।

  23. 23.

    তিহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যে বিষয়টি নিয়ে পড়ালেখা করে তা মানুষের একত্রে বসবাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টি। মূল্যবোধ নিরপেক্ষভাবে যৌথ জীবন, কার্যাবলি এবং পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে। বিষয়টি পাঠের মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কেও সচেতন হওয়া যায়।

  24. 24.

    রোকাইয়া অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তার পিতা মালেক মিয়া তাকে বিয়ে দেয়। বিয়ের সময় পাত্রের বাবা জহির মিয়ার দাবি অনুযায়ী মালেক মিয়া নগদ দুই লক্ষ টাকা, টিভি, ফ্রিজ ও আসবাবপত্র দিতে বাধ্য হয়। বছর খানেক পর মালেক মিয়া সংবাদ পান তার মেয়ে প্রথম সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।

  25. 25.

    মমতাকে 'সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ' গ্রন্থটি পড়তে দেখে তার পিতা বললেন, “তুমি কি জানো, এই গ্রন্থের লেখকের অক্লান্ত পরিশ্রমেই বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের সরব পথ চলা শুরু হয়েছিল?" মমতা বলল, “বাবা, একথাও মনে রাখতে হবে যে, বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিদ্বান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রচেষ্টায় সমাজবিজ্ঞান সমৃদ্ধ হয়েছে।"

  26. 26.

    জয় বিদেশ থেকে নৃবিজ্ঞানের ওপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে। দেশে ফিরেই দুটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ওপর গবেষণা করা শুরু করে। যাদের উভয়ের মধ্যে দৈহিক বৈশিষ্ট্য, পারিবারিক জীবন, সম্পত্তি এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় বেশ সাদৃশ্য থাকলেও ভাষা, ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাসে পার্থক্য রয়েছে। এদের একটি নৃগোষ্ঠীর ধর্মের নাম সাংসারেক, ভাষার নাম মান্দি এবং পরিবার ব্যবস্থা মাতৃপ্রধান। অপরপক্ষে অন্য নৃগোষ্ঠী হিন্দু ধর্মের বৈষ্ণবীয় মতবাদে বিশ্বাসী, ভাষার নাম মৈথেয়ী এবং তাদের শ্রেষ্ঠ নৃত্য, অনুষ্ঠানের ঠানের নাম লাইহারাউবা।

  27. 27.

    একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সজিব মনে করে, মানব সমাজে বসবাস করতে হলে সামাজিক আইন-কানুন ও আচার-আচরণের জ্ঞান থাকা আবশ্যক। এ প্রসঙ্গে তার বন্ধু রাজিব এর মতে, আমাদের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের সামাজিক সমস্যা উপলব্ধি করার জন্য সমাজ সম্পর্কিত একটি মানবতাবাদী বিষয় অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

  28. 28.

    শফিক সাহেব একজন ধনী কৃষক এবং দুই দশক যাবৎ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। গ্রামের বিচার-সালিশ করার জন্য তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে তাকে সম্পর্ক রাখতে হয়। তার বড় ছেলে শামীম ঢাকায় পড়ালেখার জন্য যেত। বর্তমানে সে লেখাপড়া শেষ করে একজন। আইনজীবী এবং একটি 'ল' ফার্মের মালিক।

  29. 29.

    এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে রবি শহরের একটি কলেজে ভর্তি হয়। সে নম্র, ভদ্র ও মেধাবী ছাত্র হওয়ায় সকলের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে। এক বছর যেতে না যেতেই পরিবারের সদস্যরা তার আচরণে পরিবর্তন লক্ষ করে। সে একটি বিশেষ মতবাদে প্রভাবিত হয়ে একদিন কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। দীর্ঘ ছয় মাস পরে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত রবির লাশ শনাক্ত হয়।

  30. 30.

    দৃশ্যপট-১: 'ক' নামক দেশের দুটি অংশের মধ্যে হাজার। কিলোমিটারের ভৌগোলিক দূরত্ব। ধর্মীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সৃষ্ট দেশটির মানুষের জীবনধারায় মিল নেই। দুই অংশের মধ্যে বৈষম্যও প্রবল। জাতীয় আয়ের সিংহভাগ পূর্বাঞ্চল হতে আসলেও পশ্চিমাঞ্চলের। প্রভাবশালী শাসকগোষ্ঠী তা নিজেদের উন্নয়নে ব্যবহার করে।দৃশ্যপট-২: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ একটি ভাষণে ঘোষণা করা হয়। “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।"

  31. 31.

    পৃথিবীতে একটি জাতি আছে, যারা ভাষার জন্য বুকের রক্ত দিয়েছে। এমনকি শোষকের শাসন, শোষণ, নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে। গিয়ে বুলেটবিদ্ধ হয়েছে বারবার। কিন্তু তারা মাথা নত করেনি। এক সময় তারা স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে এনেছে।'

  32. 32.

    আলাল এমন এক সমাজে বাস করে যে সমাজের মানুষের মধ্যে স্বজাত্যবোধ প্রবল। সেখানে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, মানসিকতা। সহজ-সরল এবং যৌথ পরিবার ব্যবস্থা ও ঐতিহ্যের প্রতীক বিদ্যমান। অপরপক্ষে শাওন সাহেব যে সমাজে বাস করেন সে সমাজের মানুষের। সম্পর্ক নৈর্ব্যক্তিক। সেখানে অকৃষিজ পেশা, ব্যক্তি, স্বাতন্ত্র্যবাদে বিশ্বাসী এবং অণু পরিবারের সংখ্যাই বেশি।

  33. 33.

    বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাস। এদের। ঐতিহ্যবাহী নৃত্যগীত 'ঝুমুর'। এদের গায়ের রং কালো এবং নাকের গড়ন নিগ্রোদের মতো খ্যাদা ও চ্যাপ্টা। প্রাচীনকালে এরা তীর-ধনুক দিয়ে শিকার করতো। বর্তমানে এরা দিনমজুর ও কৃষিজীবী হলেও বিশ শতকের' প্রথম ভাগে এদের দ্বারা সংঘটিত বিদ্রোহ বাংলার ইতিহাসে একটি আলোচিত রাজনৈতিক ঘটনা।