Combined Board ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭
22টি প্রশ্ন
- 1.
১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও বিহারে সাঁওতাল বিদ্রোহের সূচনা হয়। জমিদার, মহাজন ও ইংরেজ কর্মচারীদের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সাঁওতালরা সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নেয়। শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থার জন্য অনেক সাঁওতাল জীবন বিসর্জন দেয়। অবশেষে ইংরেজ সরকার সাঁওতালদের পক্ষে বৈষম্যহীন আইন পাস করতে বাধ্য হয়। সাঁওতালরা সংগ্রামের মাধ্যমে অধিকার আদায় করে নতুন শোষণহীন সমাজব্যবস্থার সাথে পরিচিত হয়।
- 2.
এশীয় দেশ মালয়েশিয়া বিগত তিন দশকে কৃষি-বাণিজ্যের পাশাপাশি আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নতি সাধন করে। উৎপাদন ব্যবস্থায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়। ফলে দেশের মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়।
- 3.
উর্নিশ শতকের শেষভাগে ইউরোপের একটি দেশে শত শত বছরের নির্যাতিত-শোষিত শ্রেণি শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। অকর্মণ্য ও বিলাসপ্রিয় শাসকদল বঞ্চিত শ্রেণির ক্ষোভের মুখে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়। ক্ষমতার পালাবদলে শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি শাসনক্ষমতা লাভ করে। ফলশ্রুতিতে শাসনব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন সাধিত হয়।
- 4.
ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসে লর্ড ডালহৌসি ছিলেন সাম্রাজ্যবাদী। শাসক। ভারতে ব্রিটিশ শক্তিকে সুসংহত করতে নানা অপকৌশলের আশ্রয়। নিতেও তিনি দ্বিধা করেননি। নানা কারণে তিনি ভারতবাসীর বিরাগভাজন। হলেও সংস্কার কর্ম করে ডালহৌসি জননন্দিত হয়েছিলেন।
- 5.
পূর্ব ইউরোপের একটি বৃহৎ রাষ্ট্রের অন্তঃসারশূন্য আদর্শ, নেতৃবৃন্দের দুর্বলতা, বিপর্যস্ত অর্থনীতি এবং পুজিবাদী বিশ্বের হাতছানিতে একজন করেন। তার উদারনৈতিক সংস্কার ও খোলামেলা নীতিতে রাষ্ট্রটির সংকটের অবসান হলেও এর ভাঙন রোধ করা যায়নি। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশে কতগুলো স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব হয় এবং পূর্বতন রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটে
- 6.
ধর্মযাজক পিতার পুত্র পিটার জন্মের পর থেকেই দেখেছেন কালো চামড়ার মানুষের প্রতি সাদাদের ঘৃণা-বঞ্চনা। এই অমানবিক বিষয়টি পিটারের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। তিনি নিজেও কালো চামড়ার অধিকারী হওয়ায় সাদাদের সাথে একসাথে স্কুলে পড়তে পারেননি। তাঁর প্রতিবাদী পিতামহ বর্ণবাদী বৈষম্যের প্রতিবাদ জানাতে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পিতামহের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের মাধ্যমেই পিটার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
- 7.
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুটি বিবদমান রাষ্ট্র। এ দুটি রাষ্ট্রের সংঘাত আরব-ইসরায়েল সংঘাত নামে পরিচিত। এ সংঘাতে দেশি- বিদেশি অনেক রাষ্ট্র জড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েল মনে করে, ফিলিস্তিনি সংগঠন 'হামাস' একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। অপরপক্ষে, ফিলিস্তিন মনে করে, ইসরায়েল পৃথিবীর সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। এ দু'রাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে বড় কোনো সংঘাতের সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্ববাসী আতঙ্কিত।
- 8.
মানব সভ্যতার শুরু থেকেই শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের চিন্তাভাবনা করে চলেছে মানুষ। মাত্র দুই দশক সময়ের ব্যবধানে দু'টি মানবসভ্যতা বিধ্বংসী যুদ্ধ মানুষের মনে গভীরভাবে রেখাপাত করেছিল। ফলে বিশ শতকের মধ্যভাগে একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্ম হয়।
- 9.
উগ্র জাতীয়তাবাদ ও দ্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শান্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শান্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।
- 10.
জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ইতালি | ? | ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, রাশিয়া
| ভার্সাই সন্ধি | - 11.
ইউরোপের ইতিহাসে বিশ শতকের প্রথম দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ভয়াবহ এক যুদ্ধ শেষে বিজয়ী জোট পরাজিত জোটকে সন্ধি করতে বাধ্য করে। কিন্তু বিজয়ী জোট পরাজিত জোটের প্রতি যে অমানবিক আচরণ করেছিল, তাতে সন্ধিটি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যায়। এই পক্ষপাতদুষ্ট সন্ধির খেসারত বিশ্বের মানুষকে পুনরায় দিতে হয়েছিল।
- 12.
"আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা, কলুষ আর লজ্জাসমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্তু মানবিক;আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।"
- 13.
নিপু বাজারে গিয়ে দেখলেন যে, বাজারে প্রতিটি দ্রব্যের। মূল্য তালিকা দেয়া আছে কিন্তু ব্যবসায়ীগণ তা মানছেন না। প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকার পরিবর্তে ৩৭/৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
- 14.
উত্তর আফ্রিকার সুদানে ঔপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন যাবৎ চলে। অবশেষে ঔপনিবেশিক শাসকেরা সুদান শাসনের জন্য সুদানের জনগণকে দু'টি শিবিরে বিভক্ত করেন।
- 15.

- 16.

- 17.
সুলতান সুলেমান বারবার অন্য একটি দেশে অভিযান পরিচালনা করেন এবং অবশেষে দেশে ফিরে আসেন। অভিযানে তিনি যে ধন-সম্পদ অর্জন করেন তা শিক্ষা বিস্তার ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করেন। এক পর্যায়ে তিনি তাঁর রাজ্যকে একটি সমৃদ্ধিশালী রাজ্যে পরিণত করেন।
- 18.
শ্রীমান্ডো বন্দরনায়েক আধুনিক বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করার পর দেশ-বিদেশের কিছু অভিজাত। শ্রেণির সমালোচনার মুখোমুখি হন। কিন্তু নিজ মেধা ও কর্মদক্ষতার গুণে তিনি সব বিশৃঙ্খলা দূর করে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- 19.
নিচের ছকটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
- 20.
মাহমুদা আক্তারের স্বামী একটি বেসরকারি কোম্পানির মালিক কোম্পানির বিভিন্ন কাজে মাহমুদা তার স্বামীর ওপর প্রভাব বিস্তার করেন। তিনি তার দুই ভাইকে কোম্পানির উচ্চপদে বসান। মাহমুদার প্রভাবের কারণে এক পর্যায়ে তার স্বামী কোম্পানির নামমাত্র মালিকে পরিণত হন।
- 21.
খলিফা আল হাকিম তার রাজ্যের সকল ধর্মাবলম্বীকে একই পতাকাতলে আনার জন্য একটি নতুন ধর্মমতের প্রচলন করেন। কিন্তু সর্বসাধারণের মধ্যে এই ধর্মমত জনপ্রিয় হওয়ায় অনেকেই প্রত্যাখ্যান করেন। তার জীবদ্দশায় কতিপয় ব্যক্তি এই ধর্মমত গ্রহন করলেও তার মৃত্যুর সাথে সাথে এর ইতি ঘটে। তথাপি ইতিহাসে তাকে 'Al Hakim tha Great' নামে অভিহিত করা হয়।
- 22.
জহিরুল ইসলাম সাহেব একটি স্বনামধন্য কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার পুত্রদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে পিতার মনকে ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুপ নেয়। পরবর্তীতে বিজয়ী ভ্রাতা কোম্পানিটিকে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন।