Combined Board রাজশাহী, যশোর, বরিশাল বোর্ড ২০১৯
22টি প্রশ্ন
- 1.
রহিম সাহেব ক্ষমতাধর ব্যক্তি। কর্মজীবনের প্রথম দিকে তিনি একজন জনদরদী ব্যক্তি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। সমাজের জন্য হিতকর অনেক কার্যাদি তিনি নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করেন, কিন্তু যখনই ছেলেবেলার বন্ধু করিমের সাথে তার পুনরায় যোগসূত্র স্থাপিত হয় তখনই তিনি আমূল পাল্টে যেতে থাকেন। অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করাই তার লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য তাকে ইমপিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়।
- 2.
সুদূর পশ্চিম মুলুক হতে এসে ঘাঁটি গেড়ে বসা অত্যাচারী শাসকদের অপশাসনে বেতকান্দি অঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। তাদের বিভেদনীতি এলাকায় বসবাসকারী দু'টি সম্প্রদায়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করতে থাকে যা ধর্মীয় রীতিনীতিতে প্রভাব ফেলে। এমতাবস্থায় রহমত শেখ মীয় সম্প্রদায়ের মানুষকে ধর্মের প্রকৃত সত্য পালনের আহ্বান জানান। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্বীয় সম্প্রদায়ের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হলে শাসকগোষ্ঠী শংকিত হয় এবং রহমতের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তার মৃত্যুর অল্পকাল পরে ইয়াসিন মোল্লা নামে আরেকজন প্রতিবাদী যুবক পার্শ্ববর্তী সোনাপুর এলাকায় পশ্চিমা শাসকের সীমাহীন অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তিনি রহমত শেখ অপেক্ষা আরো ক্ষিপ্রগতিতে আন্দোলন শুরু করেন। তার আন্দোলনের মূল শক্তি ছিল প্রশিক্ষিত লাঠিয়াল বাহিনী। তার সাথে শাসকদের অনেক খন্ড যুদ্ধ হয়। কিন্তু অবশেষে তিনি তার সুসজ্জিত ইনকিলাব বুরুজে প্রতিপক্ষের সাঁড়াশি আক্রমণে মৃত্যুবরণ করেন।
- 3.
মোজাম্বিক আফ্রিকার সর্বদক্ষিণের একটি দেশ। দেশটির পৃথিবীখ্যাত সমুদ্র সৈকত, আকর্ষণীয় প্রবাল দ্বীপ ও সুদৃশ্য ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান। ঔপনিবেশিক শক্তি কর্তৃক গৃহীত শাসনতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক নীতির ফলে জনমনে এক সময় ধূমায়িত অসন্তোষ সৃষ্টি হয় যার ফলে দেশটিতে দীর্ঘকালব্যাপী গেরিলা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। মোজাম্বিকের স্বাধীনতাপন্থী সংগঠন FERLIMO তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সপক্ষে সারাবিশ্বের কাছে সহযোগিতা কামনা করে। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সমমনা দেশগুলো এগিয়ে আসলেও একটি বৃহৎ শক্তি এর বিরোধিতা করে। মিত্র দেশগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় মোজাম্বিক ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন দেশ হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান লাভ করে।
- 4.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে জার্মানি বেলজিয়াম আক্রমণ করে অধিকাংশ এলাকা নিজ আয়ত্তে নিয়ে আসে। ফলে বেলজিয়ামের জনপ্রতিনিধিরা দেশের পশ্চিমাঞ্চলের মুক্ত ভূমিতে সদর দপ্তর স্থাপন করে নির্বাসিত সরকার গঠন করে। ফ্রান্সসহ ভ্রাতৃপ্রতিম মিত্রদের সহযোগিতায় তারা যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
- 5.
সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশবাদ ও জাতীয়তাবাদ শব্দ তিনটি একই সূত্রে গ্রথিত। সাম্রাজ্যবাদী শাসকেরা নিজেদের প্রভাব প্রতিপত্তি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে এবং পরাভূত দেশসমূহের উপর স্ব স্ব আইনকানুন প্রয়োগের মাধ্যমে দাসত্বে আবদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে উপনিবেশ সৃষ্টি করে। ঔপনিবেশবাদ কখনো কোনো অঞ্চলেই মজালজনক হয়নি। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ঔপনিবেশবাদের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে জনগণ প্রতিবাদী হয়ে উঠে এবং তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদের উন্মেষ। ঘটে। জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা অযাচিত প্রভুদের শাসনকার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও নিজ দেশের বাহিরের পণ্যসামগ্রী বর্জন করতে বন্ধপরিকর হয়।
- 6.
ব্যয়ের খাত | পশ্চিম পাকিস্তান | পূর্ব পাকিস্তান
রাজস্ব খাতে ব্যয় | ৭৫% | ২৫%
শিল্প উন্নয়নমূলক কর্পোরেশন ব্যয় | ৫৮% | ৪২%
উন্নয়ন প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় | ৮০% | ২০%
আমেরিকান সাহায্যের ব্যয় | ৬৬% | ৩৪%
বৈদেশিক সাহায্যের ব্যয় | ৯৬% | 8%
বিনিয়োগ ও শিল্প ঋণ | ৮০% | ২০%
শিল্প উন্নয়ন ব্যাংক | ৭৬% | ২৪%
গৃহনির্মাণ ও অন্যান্য | ৮৮% | ১২% - 7.
"তুমি স্মরণীয় রক্তান্ত ৮ই ফাল্গুন
স্বৈরাচারের শিরায় শিরায় লেগেছিল যেদিন আগুন
তুমি সেই ৮ই ফাল্গুন।
শহীদ হলো যাঁরা নেই এই ক্ষণে
রয়েছে তাঁদের প্রসুন
৮ই ফাল্গুন তুমি সুপ্রভ, তুমি সুদৃঢ়
সুললিত ঐক্যের নবারুণ।" - 8.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবিসংবাদিত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন দাসপ্রথা বা বিলোপ ও গণতন্ত্রের নবজাগরণের উদ্দেশ্যে গেটিসবার্গ নামক স্থানে এক যুগান্তকারী ভাষণ প্রদান করেন, যা পৃথিবীর ইতিহাসে 'গেটিসবার্গ এড্রেস' নামে খ্যাত। তার এ ভাষণের ব্যাপ্তিকাল ছিল তিন মিনিট। ভাষণে তিনি গণতন্ত্র, শোষিত মানুষের মুক্তি ও অধিকারের কথা ব্যক্ত করেন। পৃথিবীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও দাসপ্রথা বিলোপে এ ভাষণটি ছিল একটি মাইলফলক।
- 9.
১৯১৮ সালে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক নেতা ভ.ই. লেনিন স্বীয় রাজধানী পেট্রোগ্রাড থেকে অধিকতর নিরাপদ স্থান মস্কোতে স্থানান্তর করেন। মস্কো অপেক্ষাকৃত কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হওয়ায় বহিঃশত্রুর আক্রমণের আশংকা কম ছিল। তাছাড়া পেট্রোগ্রাড সুবিধাভোগী শ্রেণির নিরাপদ অভয়ারণ্য হওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। এরপর লেনিন দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারমূলক কর্মসূচি হাতে নেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের পূর্ণতা বিধানই যার মূল লক্ষ্য ছিল।
- 10.
অনুচ্ছেদ-১: আরব সাগর তীরবর্তী 'ধাহানু' অঞ্চলে নানাধর্মের লোকের বসবাস। ঔপনিবেশিক শাসনে বিক্ষুব্ধ হয়ে ধাহানু অঞ্চলের শাসিতদের মধ্যে যাতে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ সৃষ্টি না হয় সেজন্য ঔপনিবেশিক শাসক উক্ত অঞ্চলের জনগণের রাজনৈতিক দাবি- দাওয়া পূরণের উদ্যোগ নেয়। শাসিত অঞ্চলের জনগণকে নিয়ে। আলোচনার মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব দেয়া হয় একজন উচ্চপদস্থ বিদেশি কর্মকর্তাকে। এ কর্মকর্তার প্রচেষ্টায় উনিশ শতকের শেষে 'ধাহানু সভা' নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন জন্মলাভ করে। 'ধাহানু সভা' ছিল ঐ অঞ্চলের প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন।অনুচ্ছেদ-২: কিছুদিন পর 'ধাহানু সভা' সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় মতাবলম্বীদের মুখপাত্র হিসাবে কাজ করতে শুরু করলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা রাজনৈতিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে 'মুক্তি মঞ্চ' নামে আর একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলে। এতে সমগ্র ধাহানু অঞ্চলেররাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
- 11.
পৃথিবীর সর্বদক্ষিণের অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চল এক সময় অনেকেরঅজানা ছিল। ১৭৭৩ খ্রিষ্টাব্দে জেমস্ কুক ও তার সহযোগী নাবিকগণ যখন অ্যান্টার্কটিকা সার্কেল অতিক্রম করছিলেন তখন দ্বীপটি তাদের নজরে পড়ে। এই সংবাদ অতি দ্রুতই সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর যথাক্রমে রুশ, ইংরেজ ও আমেরিকানরা এ অঞ্চলে প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে ইংরেজরা অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদ ও খনিজ তেলের বিষয়ে গবেষণা করার জন্য অন্য দেশসমূহের বাধা উপেক্ষা করে মহাদেশটির দক্ষিণ মেরুর বিস্তীর্ণ অঞ্চলে একচ্ছত্র আধিপত্য স্থাপন করে।
- 12.
মোঙ্গল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চেঙ্গিস খান বিশাল সাম্রাজ্যের অধিকারী ছিলেন। তার দক্ষ সেনাপতিদের রণনিপুণতায় তিনি বিশাল ভূখণ্ডের অধিকারী হন।
- 13.
ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামকে ধারণ করে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলা একাডেমিতে বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। বই প্রকাশনা ও বিক্রয় ছাড়াও আলোচনাসভা, কবিতা পাঠ, সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। একুশে ফেব্রুয়ারি সারাবিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে থাকে।
- 14.
বার্মার শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অত্যাচার, নির্যাতন, লুণ্ঠন, ধর্ষণ, ঘরবাড়ি ও ফসল পোড়ানোর শিকার হয়ে ৬ লক্ষ রোহিঙ্গা প্রতিবেশী। বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সরকার মানবিক কারণে এই সকল রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা দিয়ে তাদের সহযোগিতা। করেছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংগঠন তাদেরকে সাহাদ্য প্রদানে এগিয়ে এসেছে।
- 15.
অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতারোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন সেনাপতি ফুয়াদ পাশা। পরবর্তী সময়ে ফুয়াদ পাশার সাহসিকতা, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা, সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় । অবশেষে সুলতান কৌশলে তাকে হত্যা করেন ।
- 16.
একদল জ্ঞানী, পণ্ডিত ব্যক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ গঠিত হয়। দেশি-বিদেশি জ্ঞানচর্চার জন্য এখানে গ্রন্থাবলি সংরক্ষণ, অনুবাদ ও মৌলিক গ্রন্থ রচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই প্রতিষ্ঠান নতুন গবেষকদের জন্য প্রচুর সহায়তা করে থাকে ।
- 17.
অটোমান সুলতান মহামতি সুলাইমান একজন শ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য বিস্তারকারী শাসক ছিলেন। তাঁর সাম্রাজ্য কৃষ্ণসাগর থেকে তিউনিসিয়া। এবং ভিয়েনা থেকে আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। দুর্নীতির দায়ে তার লামাতাকেও তিনি শাস্তি দিতে দ্বিধাবোধ করেননি। এমনকি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে তিনি নিজ পুত্রকে ফাঁসি দেন। তিনি অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতেন।
- 18.
সুলতান নাসিরউদ্দিন একজন মহান শাসক ছিলেন। ধর্মভীরু শাসক হলেও পরধর্মের প্রতি তিনি কখনই বিদ্বেষ পোষণ করতেন না বরং খুবই সহনশীল ছিলেন। তিনি অমুসলিমদের ওপর হতে করের বোঝা কমিয়ে দিয়ে নানারকম সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন আপোষহীন।
- 19.
নিজ এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে এবং চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, হানাহানি প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে রসুলপুর এলাকার কয়েকজন যুবক একটি সমিতি গঠন করেন। তাদের এই মহৎ উদ্যোগ সফল হয় এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- 20.
শিল্প বিপ্লবের পর ইংল্যান্ড ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো অর্থনৈতিকভাবে অনেক সমৃদ্ধ দেশ। শিক্ষাদীক্ষায়ও আজ তারা অনেক অগ্রগামী। এমন একটা সময় ছিল যখন তারা ধর্মগ্রন্থ ছাড়া অন্য কোনো গ্রন্থ সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করত না। বর্তমানে সেখানে বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে সারাবিশ্ব থেকে ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে মেধাবী শিক্ষার্থী, গবেষকেরা এসে জ্ঞানচর্চা করেন।
- 21.
সিন্ধু নদের তীরে প্রাচীনকালে যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল তাই সিন্ধু সভ্যতা নামে পরিচিত। এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা। নগরের ঘরবাড়ি, ড্রেনেজ ব্যবস্থার চিহ্ন দেখে অনুমান করা হয় এই সভ্যতার নাগরিকরা পারলৌকিক জীবন সম্পর্কে ধারণা রাখত না। সুখ- সমৃদ্ধি তথা পার্থিব জীবনই তাদের আরাধ্য ছিল।
- 22.
মোহনপুর এলাকার অধিবাসীদের মধ্যে সবসময় হানাহানি, সংঘাত লেগেই থাকে। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাচিত মেম্বার রয়েছে। নিজ ওয়ার্ডে না হলেও ফসল কাটা, মাছ ধরা, পশুপালন ইত্যাদি নিয়ে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আন্তঃকলহ লেগেই থাকে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা নারীদের। পুরুষরা তাদের অভিশাপ ও বোঝা মনে করে।