Combined Board ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

22টি প্রশ্ন

  1. 1.

    সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

    ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে ক্যাপ্টেন কুক প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ আবিষ্কার করেন। হাওয়াই এ পৌঁছালে আদিবাসীরা ক্যাপ্টেন কুক ও তার সঙ্গীদের স্বাগত জানায়। কিন্তু বিভিন্ন কারণে শেষ পর্যন্ত আদিবাসীরা ক্যাপ্টেন কুক এবং তার সঙ্গীদের অনেককে হত্যা ও বাকিদের দ্বীপ থেকে বিতাড়িত করে।

  2. 2.

    খলিফা আলী রা. এবং সিরিয়ার গভর্নর মুয়াবিয়া এর মধ্যে বিভিন্ন কারণে মতানৈক্যের ফলে সিফিফিনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে আলী রা. এর বাহিনীর বিজয়ের সম্ভাবনা দেখা দিলে মুয়াবিয়ার প্রতিনিধি আমর ইবনে আল আস এর কূটনৈতিক চালে আলী রা. যুদ্ধ বন্ধ করেন। এর ফলে আলী রা. খিলাফত হারান।

  3. 3.

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উসমানীয় সাম্রাজ্যের খিলাফতের স্থলে কামাল আততুর্কের নেতৃত্বে তুরস্ক একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষিত হয়। অতঃপর বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে তুরষ্ক একটি ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক ও আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।

  4. 4.

    রাজনৈতিক মতাদর্শগত কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে জার্মানি দুটি অংশে বিভক্ত হয়। বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ দুর্বল হয়ে পড়লে ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে একটি চুক্তির মাধ্যমে জার্মানির দুই অংশের একত্রীকরণ সম্পন্ন হয়।

  5. 5.

    রমজান তার বাবার কাছে শুনতে পায় একটি দাবিকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এদেশের যুবকদের তাজা রক্ত দেওয়ার কিছু ইতিহাস। বাবা তাকে বলে রক্তের বিনিময়ে তাদের সেভদাবি বাস্তবে রূপ নেয় এবং বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলেও দাবিটি স্বীকৃতি লাভ করায় সারা বিশ্বের দিনটি মর্যাদার সাথে পালিত হচ্ছে।

  6. 6.

    ভারতের আসাম প্রদেশে যথেষ্ট সংখ্যক লোক বাংলা ভাষায় কথা বলে। আসামের বিধানসভায় ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে অসমীয়া ভাষাকে আসামের দাপ্তরিক ভাষা করার জন্য বিল পাশের সময় বাংলা ভাষাভাষীরা আন্দোলন শুরু করে। এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ১৯ মে হরতাল চলাকালে সাধারণ মানুষের মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে ১১ জন প্রাণ হারায়।

  7. 7.

    পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিভাগে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের অফিসার সংখ্যার একটি তুলনামূলক চিত্র :

  8. 8.

    “আর যদি একটি গুলি চলে, আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয়” - তোমাদের কাছে অনুরোধ রইল প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলো।

  9. 9.

    মিতুর বাবা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ হন। তার মা এবং প্রতিবেশী নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় প্রদানসহ সমর্থ্য অনুযায়ী খাবার সরবরাহ করতেন। এছাড়া তারা সকলে মিলে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা শুশ্র‍্যষার দায়িত্ব গ্রহণ করতেন।

  10. 10.

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ফ্রান্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণা ও স্বীকৃতি যুদ্ধকে স্বীকৃতি ও সমর্থন দেয়। এছাড়া ফ্রান্স অর্থ, বস্ত্র ও সৈন্য দিয়ে সাহায্য করে। এভাবে ফ্রান্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে বন্ধু রাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করে।

  11. 11.

    বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। জাতিসংঘ চলমান ক ও খ রাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। সম্প্রতি যুদ্ধ বন্ধে এই প্রতিষ্ঠান সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব পাস করেছে।

  12. 12.

    নদীভাঙনের শিকার হয়ে একদল মানুষ ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে বস্তিতে আশ্রয় নেয়। বাজারের মাল উঠানামা, হোররে কর্মচারী, পত্রিকা বিক্রি, ফল বিক্রি, রিকশা-ভ্যান চালানো ইত্যাদি কাজ নাখালপাড়ার করে তারা অতি কষ্টে দিনযাপন করছিল। একদিন হঠাৎ উৎখাত হয়ে তারা শ্যামলীর বস্তিতে আশ্রয় নেয়। শুরু হয় নতুন সংগ্রাম। এভাবে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় তাদের দিন কাটে।

  13. 13.

    ইরানের রেজা শাহ পাহলভী ইরানকে একটি আধুনিক সমৃদ্ধিশালী হয় রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য জ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর জোর দেন। তিনি কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রযুক্তি যেমন জমি চাষের জন্য ট্রাক্টর আমদানি করেন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাঁধ দেন, খাল খনন করেন, সার ও কীটনাশকের ব্যবহার করেন। তিনি নাগরিক জীবনকে নিরাপদ করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করেন এবং প্রয়োজনে নতুন নতুন আইন প্রণয়ন করেন।

  14. 14.

    ফাহিম তার সমমনা বন্ধুদের নিয়ে 'অন্বেষা সংঘ' গড়ে তোলে। এই সংঘ যুবকদের নানামুখী প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলে। ইভটিজিং, মাদক সেবন প্রতিরোধ করা, রাস্তা মেরামত, জলাশয় পরিষ্কার, পথশিশুদের খাবার ও পাঠদান, বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা আনয়ন তাদের লক্ষ্য। অনিষ্টকারীদের দমন ও নিপীড়িতদের সাহায্য দানই ছিল তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য।

  15. 15.

    মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা-নরসিংদী মহাসড়কের বড় বড় গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছিল। ভারী কিছু লোহার পিলারও ফেলে রাখা হয়েছিল। যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে সাময়িক কষ্ট হলেও অপশক্তির সরাসরি হামলা হতে একটি বৃহত্তর জনপদকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময়ে একদল লোক স্বাধীনতার বিরোধিতা করে মূল জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। এরা রাজাকার নামে পরিচিত।

  16. 16.

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পরই বাংলাদেশের প্রতিটি ধর্মীয়, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক অধিকার রক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে জনমত ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে একটি সংবিধান রচিত হয়। এতে নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও দায়িত্ব- কর্তব্য সংরক্ষিত হয়। এই সংবিধান অনুসারেই রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে।

  17. 17.

    ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে মানুষকে শোষণ করা, মানুষের শক্তিকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করার আকাঙ্ক্ষা থেকে ধর্মীয় বিভিন্ন দল ও মতের জন্ম হয়। অনেক ব্যক্তি ভণ্ডামির আশ্রয় নিয়ে নিজেকে ঐশ্বরিক ক্ষমতার অধিকারী বলে দাবি করে। মানুষ তাদের অন্ধভাবে বিশ্বাস করে তাদের ভক্তি করে এবং অনুসরণ করে। মানুষ নিজের আয়- উপার্জন থেকে সরকারকে কর দেওয়ার বিষয়ে সবসময়েই অনীহা প্রকাশ করে। ইতিহাসে কর না দেওয়ার দাবিতে অনেক বিদ্রোহের পরিচয় পাওয়া যায়।

  18. 18.

    আরশাদ আরও অভিযোগ ওঠে যে, বিভিন্ন গরুত্বপূর্ণ পদে একতরফাভাবে নিজ আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ দিয়েছেন। ফলে অনেক যোগ্য লোক চাকরি পায়নি। অনেককে আবার জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করা হয়।

  19. 19.

    রাজা প্রথম জর্জ ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডে রাজতন্ত্রের সূচনা করেন। সু কমতা গ্রহণের পরই তিনি রাজতন্ত্রের সুদৃঢ়করণের স্বার্থে সংস্কারমূলক কার্যক্রমে হাত দেন। তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রশাসনকে ঢেলে সাজান। এছাড়া স্টটল্যান্ড, স্কশায়ার, ম্যানচেস্টার প্রভৃতি কান্ট্রিতে নিজ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করেন। ক্ষেত্রবিশেষে উদারতা হিসেবে তিনি রাজতন্ত্রের জাঁকজমকতা ও আড়ম্বরতায় বিশ্বাসী ছিলেন।

  20. 20.

    ইলখানি সুলতান গাজান খান একজন প্রজারঞ্জক শাসক ছিলেন। তিনি জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে সকল প্রকার অন্যায় কর নিষিদ্ধ করেন। তার শাসননীতি ছিল প্রজাকল্যাণ ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা। তিনি অত্যন্ত ন্যায়বান সচ্চরিত্রের অধিকারী, পরিশ্রমী শাসক ছিলেন সত্য, তবে সাম্রাজ্যের বিভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরোধিতা, বহু জাতির সমন্বয়ে গঠিত রাষ্ট্রের দুর্বলতা, ইলখানিদের প্রতি বিরূপ মনোভাব ইত্যাদি কারণে ইলখানি সাম্রাজ্যটি খুব স্থায়ী হয়নি।

  21. 21.

    চেঙ্গিস খান অত্যন্ত সন্দেহপ্রবণ নিষ্ঠুর ব্যক্তি ছিলেন। ইতিহাসে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, তিনি অনেক সময় অমূলক সন্দেহের বশবর্তী হয়েও তার অনেক কাছের বিশ্বস্ত মানুষকে হত্যা করেছেন। রাজবংশ ও সাম্রাজ্য শাসনের সুবিধার পাশাপাশি রাজধানীর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাজধানী কারাকোরাম থেকে পিকিং-এ স্থানান্তর করেন এবং নতুন রাজধানীকে বিভিন্নভাবে সজ্জিত করেন।

  22. 22.

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতায় 'আলোকিত সাহিত্য পরিষদ' গঠিত হয়। দেশি-বিদেশি প্রচুর গ্রন্থের সমাবেশ রয়েছে এখানে। এখানে গ্রন্থাবলি সংরক্ষণ, অনুবাদ ও গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই প্রতিষ্ঠান ভালো লেখক ও নতুন গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ, আর্থিক অনুদান ও পুরস্কারের ব্যবস্থা করে থাকে।