Combined Board ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮
251টি প্রশ্ন
- 101.
কুঠিবাড়ি গ্রামের কৃষকরা দীর্ঘদিন যাবৎ গতানুগতিক পদ্ধতিতে ধান চাষ করে আসছে। এ বছর কৃষক সভায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তাদেরকে একটি নতুন পদ্ধতিতে চারা রোপণের কথা বললেন। এ পদ্ধতিতে প্রতি গোছায় একটি করে কম বয়সী চারা রোপণের প্রয়োজন পড়ে। এ পদ্ধতিটি গতানুগতিক পদ্ধতির চেয়ে অধিকতর সুবিধাজনক। কিছু কৃষক উদ্বুদ্ধ হয়ে এ পদ্ধতিতে ধান চাষ করে অনেক লাভবান হলেন।
- 102.
কফিলের বাবা দীর্ঘদিন ধরে চরের জমিতে চীনাবাদাম ও তরমুজ চাষ করে আসছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর সে তার জমিতে মাঠ। ফসল চাষের ইচ্ছায় কৃষি অফিসে গিয়ে পরামর্শ চায়। কৃষি কর্মকর্তা তাকে মাটির বুনট পরিবর্তনের পরামর্শ দিলে, কলিম পরামর্শ মোতাবেক কাজ করে মাঠ ফসল চাষে সক্ষম হয়। কর্মকর্তা তাকে আরো বলেন, "মাটির বুনট বিবেচনায় রেখে ফসল নির্বাচন করা উচিৎ।"
- 103.
মি. মিল্টন ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ শুরু করে। সে রবি মৌসুমে পাট ও আউশ ধান লাগায় কিন্তু ফলন একেবারেই হয় না। সে তার পরিচিত কৃষিবিদ কলেজ শিক্ষকের পরামর্শে পরের বছর ঐ মৌসুমে বোরো ধান, শিম ও আলু চাষ করে কাঙ্ক্ষিত ফলন পায়। কৃষিবিদ তাকে আরো বলেন, "ফসল নির্বাচনে আবহাওয়া ও জলবায়ুর অবস্থা বিবেচনা করতে হবে।"
- 104.

- 105.
আমাদের দেশে বিশেষত বরিশাল বিভাগে প্রচুর পরিমাণ পেয়ারার চাষ হয়। বর্তমানে থাই পেয়ারার চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশি জাতের পেয়ারার চাহিদা কমে যাচ্ছে। এ পেয়ারা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার জন্য “প্রাণ কোম্পানি” এগুলোকে প্রক্রিয়াজাত করে খাদ্যোপযোগী করার ব্যবস্থা করে। এতে করে অনেক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগসহ ফল চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন ।
- 106.
ছক-A: সময়, শক্তি, জ্ঞান, দক্ষতা; ছক-B: অর্থ, জমি, গহনা, বাড়িঘর
- 107.
রিপন ও জাহেদ দুই বন্ধু। বছর তিন হলো তারা মাস্টার্স পাস করেছে। বাবার একমাত্র সন্তান রিপন বরাবর চাকুরীর চেষ্টা করলেও এখনও তা অনিশ্চিত। অন্যদিকে জাহেদ মাস্টার্স পাস করার পরপর সেনা বাহিনীতে চাকুরীতে যোগদান করেছে। সারাদিন তাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। জাহেদের কর্মস্থল বাসা থেকে অনেক দূরে হওয়ায় ফিরতে রাত হয়। বাড়ি ফিরে তারা দুজনেই খুব ক্লান্তি অনুভব করে।
- 108.
হাবিব আকিজ কোম্পানির কিছু শেয়ার সার্টিফিকেট ক্রয় করে অর্থ বিনিয়োগ করে। আফতাব গ্রুপে চাকুরীতে তার বন্ধু সজল প্রতিমাসে কিছু টাকা ব্যাংকে রাখেন। সজলের অফিসের সকল কর্মচারীদের মূল বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ কেটে রাখা হয়। অফিসের কর্মচারীরা প্রয়োজনে এই জমা অর্থ থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারে।
- 109.
ইফতি ও রিয়ার নতুন সংসার। তাদের শয়নকক্ষের দুটি জানালা ও একটি দরজায় হালকা রঙের পর্দা দেয়া হয়েছে। ঘরটি সাজানোর জন্য তারা একটি বড় খাট, ওয়ারড্রব ও ড্রেসিং টেবিল কিনলেন। কেনার সময় তারা আসবাবের সৌন্দর্যের বিষয়টি বিবেচনা করেছেন।
- 110.
রুবিনা, সুমি ও রুমি তিন বান্ধবী। তারা রাঙ্গামাটি রামনগর স্কুলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এসেছে। রুবিনা মায়ের তৈরি একটি খবং নামের পোশাক পরেছে। সুমি পরেছে রেশমগুটি থেকে তৈরি পোশাক। আর জ্যামিতিক নকশার ঐতিহ্যবাহী একটি শাড়ি পরেছে রুমি।
- 111.
নিলু তার বন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে নতুন পোশাক তৈরির পরিকল্পনা করল। পোশাকটি তৈরির আগে কাগজে নকশা একে কাপড়টি কেটে সেলাই করল। কিন্তু দেখা গেল দুই হাতার ছাপগুলো ঠিকভাবে বসেনি। ধোয়ার পর পোশাকটি আঁটসাঁট হয়ে গেল।
- 112.
ছক-ক: অ্যালকোহল, কেরোসিন তারপিন; ছক-খ: বেনজিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, গ্লিসারিন
- 113.

- 114.
আনিস সাহেব প্রায় দুই বছর আগে ছেলের বিয়ে দিয়েছেন। কিছুদিন হলো পরিবারে নতুন বংশধর এসেছে। উনার মেয়ে দিনা স্বামীর সাথে আলাদা ফ্ল্যাটে বসবাস করে। তারও একটি মেয়ে রয়েছে।
- 115.
রতন মিঞা একজন কৃষক। তার স্ত্রী সালেহা ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। শাশুড়ি মা তাকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলেন। সেখানে ডাক্তার তাকে কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে বললেন। নতুন সদস্য আসছে বলে পরিবারের সবাই খুব খুশি। তবে, এখন ধান তোলার মৌসুম বলে সালেহাকে অনেক ভারী কাজ করতে হয়। তাছাড়া খাবার গ্রহণেও তার কোনো পরিবর্তন আসেনি।
- 116.
মৌমিতার বয়স ৬ মাস। সে খুব দ্রুত ওজন ও উচ্চতায় বাড়ছে। মৌমিতার খালা তার মাকে বললেন, "মৌমিতার প্রতি অধিক যত্নশীল হও। কেননা শৈশবের বিকাশ অনেক সংকটময়।"
- 117.
শিহাব দশম শ্রেণির ছাত্র। সে পরীক্ষায় বার বার অকৃতকার্য হয়। ইদানিং পড়ায় তার কোনো মনোযোগ নেই। এই অবস্থায় তার বাবা মা, শিক্ষক উপদেশ দিলে সে বিদ্রোহ করে। এমনকি বেশ কয়েকবার সে ঘর থেকে পালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়।
- 118.
রোহিঙ্গা শিবিরে একজন কর্তব্যরত ডাক্তার চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। তিনি প্রথম যে রোগীকে দেখলেন সে দিনের বেলা চোখে দেখলেও রাতের বেলা দেখতে পায় না। দ্বিতীয় রোগীর চোখের নিচ, জিভ ও চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। সে সব সময় ক্লান্তিতে ভোগে। তৃতীয় রোগীর গলার সামনের অংশ অনেকটা ফুলে গেছে।
- 119.

- 120.
রহিম সাহেব ও জামাল সাহেব দুই বন্ধু। তাদের কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন। তাদের কী সমস্যা জানতে চাইলে রহিম সাহেব বলেন, অল্প পরিশ্রম করেই তিনি হাঁপিয়ে যান, বুক ধড়ফড় করে। মাঝে মাঝে বুকে ব্যথা ও ঘাম হয়। অন্য দিকে জামাল সাহেব বললেন, তার ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। দ্রুত ওজন কমছে এবং শরীর খুব দুর্বল লাগে।
- 121.

- 122.
জীবিত কোষে দুই ধরনের জৈব এসিড রয়েছে। এদের একটি বংশগতির বাহক এবং দ্বিসূত্রক প্যাঁচানো অবস্থায় অবস্থান করে। অপরটি একসূত্রকপ্যাঁচানো অবস্থায় থাকে ও প্রোটিন সংশ্লেষণ করে।
- 123.
জীবদেহের গাঠনিক উপাদান হিসাবে বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যাহার কিছু অংশ আবার বিভিন্ন বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- 124.
সুমনার নির্দিষ্ট সময় পর পর কাঁপুনিসহ জ্বর আসে। চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষার মাধমে জানালেন RBC-তে অণুজীব সংক্রমণের মাধ্যমে এই জ্বর হয়।
- 125.

- 126.
উদ্ভিদের তৈরিকৃত খাদ্য একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে CO2,H2O \mathrm{CO}{2}, \mathrm{H}{2} \mathrm{O} এবং ATP তৈরি হয়। অবশ্য O2 \mathrm{O}_{2} এর উপস্থিতি ছাড়া সম্পূর্ণ জারণ আদৌ সম্ভব নয়।
- 127.
ডায়াবেটিস আক্রান্ত জহির সাহেব ডাক্তারের কাছে গেলে, ডাক্তার তাকে ঔষধ হিসাবে এক ধরনের হরমোন গ্রহণ করতে বললেন, যাহা এক ধরনের জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়ে থাকে।
- 128.

- 129.

- 130.
m=(10 kg)m=(10\ kg) ভরের একটি বস্তুর উপর একই সময়ে তিনটি বল ক্রিয়া করছে যা ১নং চিত্রে দেখানো হলো।

- 131.
66 m66\ m গড় ব্যাসার্ধের একটি কিক্রেট মাঠে ক্রিকেট দল AA ফিল্ডিং এবং BB ব্যাট করছে। একজন বোলার 100 k mh−1100\ k\ mh^{-1} বেগে ব্যাটসম্যানের দিকে বল নিক্ষেপ করলে ব্যাটসম্যান অনুভূমিকের সাথে 30°30° কোণে বলটিতে আঘাত করে। ফলে বলটি বোলারের নিক্ষেপ বেগের সমান বেগ লাভ করে। সংশ্লিষ্ট ব্যাটসম্যান হতে 20 m20\ m দূরে অবস্থানরত একজন ফিল্ডার ব্যাটসম্যান কর্তৃক বলে আঘাত করার সাথে সাথে বল অভিমুখে 10 m s−110\ m\ s^{-1} বেগে দৌড় শুরু করল।
- 132.
অপু 20 m ব্যাসবিশিষ্ট একটি বৃত্তাকার মাঠের চতুর্পার্থে সর্বোচ্চ 30° কোণে কেন্দ্রের দিকে হেলানো অবস্থায় নিরাপদে সাইকেল চালাতে পারে। সে 20 km h¯120\ km\ h¯^1 বেগে সাইকেল চালাচ্ছিল।
- 133.
প্রতি তলার উচ্চতা 5 m হিসেবে 10 তলা ভবনের সর্বোচ্চ তলায় বসবাসরত একটি পরিবারে একটি শিশু আছে। শিশুটি বারান্দার গ্রীল দিয়ে 100 g ভরের একটি টেনিস বল ছেড়ে দিলে তা কিছুক্ষণের মধ্যে মাটিতে আঘাত করে।
- 134.
প্রতি সেকেন্ডে 55টি বীট সৃষ্টি করার লক্ষ্যে দুটি সুরশলাকা A ও B নেওয়া হলো। A সুরশলাকা হতে সৃষ্ট শব্দের তীব্রতা 1.01×105 Wm−21.01\times10^{5\ }Wm^{-2} এবং বিস্তার 0.02 m0.02\ m। BB সুরশলাকার কম্পাঙ্ক 161 Hz161\ Hz। (মাধ্যমের ঘনত্ব 1.25 kg m−31.25\ kg\ m^{-3} এবং শব্দের বেগ 350 m s−1350\ m\ s^{-1})।
- 135.
5 kg5\ kg ভরের একটি বস্তু ভূপৃষ্ঠ হতে মুক্তিবেগে নিক্ষেপ করায় সেটি মহাশূন্যের অন্য একটি গ্রহে পৌঁছায় যার ভর পৃথিবীর ভরের ষোলগুণ এবং ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসার্ধের চারগুণ।(পৃথিবীর ভর =6×1024 kg,=6\times10^{24\ }kg, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ =6.4×103 km)=6.4\times10^{3\ }km)
- 136.
দৃঢ় অবলম্বন হতে 1 m1\ m দৈর্ঘ্যের একই উপাদানের দুটি তারের প্রত্যেকটির মুক্তপ্রান্তে 0.05 kg0.05\ kg ভর ঝুলানো হলো। তারগুলোর ব্যাস যথাক্রমে 2 mm2\ mm ও 4 mm4\ mm (ইয়ং এর গুণাঙ্ক =2×1011 Nm−2=2\times10^{11\ }Nm^{-2})।
- 137.
A স্থানের একটি হ্রদের তলদেশ হতে একটি বায়ু বুদবুদ পানির উপরিতলে আসায় বুদবুদের ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হয়। হ্রদটিতে বায়ুমণ্ডলের চাপ 105 Nm−2,10^{5\ }Nm^{-2}, তাপমাত্রা 18.6 °C এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা 52.4%। অন্য কোনো দিন B স্থানের অন্য একটি হ্রদে বায়ুর তাপমাত্রা A স্থানের হ্রদের সমান এবং শিশিরাঙ্ক 7.4 °C, 7 °C, 8 °C, 18 °C ও 19 °C তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের চাপ যথাক্রমে 7.5×10−3, 8.2×10−3, 15.6×10−37.5\times10^{-3},\ 8.2\times10^{-3},\ 15.6\times10^{-3} ও 16.5×10−316.5\times10^{-3} পারদ।
- 138.
দরিদ্র বাবা-মা তাদের প্রথম সন্তানের নাম রাখেন সাজাহান। তাদের স্বপ্ন সাজাহান অনেক বড় হবে। কিন্তু আর্থিক অভাব ও শিক্ষা না থাকায় সাজাহান কিশোর বয়সেই কাজে নেমে পড়ে। পাশের গ্রামের কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে সাজাহান কাজের লোক হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রতিদিন ঘরে ও বাইরে সমান পরিশ্রম করে সাজাহান। কিন্তু পরিশ্রম অনুযায়ী তাঁর ভাগ্যে খাবার জোটে না। একদিন বাজারের টাকা বাঁচিয়ে সাজাহান লাড্ডু কিনে খায়। কিন্তু টাকার হিসেব দিতে না পারায় আলম সাহেব তাকে নির্দয়ভাবে মারে। মনে ক্ষোভ নিয়েও সাজাহান সব সহ্য করে, কারণ সে জানে, সে গরীব-অসহায়।
- 139.
নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল, তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল, গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান; কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান। স্বর্ণ করে নিজ রূপে অপরে শোভিত, বংশী করে নিজ সুরে অপরে মোহিত। শস্য জন্মাইয়া নাহি খায় জলধরে; সাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।
- 140.
মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত।শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।
- 141.
'বিবর্তন' সংস্কৃতিকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দুটো উপদেশ দিলেন-i. উচ্চাভিলাষ ও বিলাসিতার কারণে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো কাজ করো না। তা তোমাদের বিপদে ফেলবে এবং আজীবন তোমাকে অসুখী করবে।ii. সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সমন্বয় করতে না পারলে পরিণামে দুঃখ পেতে হয়।
- 142.
হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা পানে চেয়ে কতবার প্রাণ, মোর উঠিয়াছে গেয়ে প্রকাণ্ড উল্লাস ভরে, ইচ্ছা করিয়াছে সবলে আঁকড়ি ধরি এ বক্ষের কাছে সমুদ্র মেখলা পরা তব কটিদেশ; প্রভাত রৌদ্রের মতো অনন্ত অশেষ ব্যপ্ত হয়ে দিকে দিকে অরণ্যে ভূধরে কম্পমান পল্লবের হিল্লোলের পরেকরি নৃত্য সারাবেলা;
- 143.
আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে, চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়ে জড়িয়ে ওরা আপন গায়ে কেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।
- 144.
পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের- কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের। শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস; অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ; একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পড়েছি ফাঁস আপোষ-করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।
- 145.
দিনমজুর আবুল মিয়ার একমাত্র মেয়ে শাহানা। এখন সে বারো বছরের কিশোরী। চেহারাটা একটু রোগা বলে বয়সটা তার ঠিক কতো তা বোঝা যায় না। শাহানা খুব চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা। সে উচ্ছল ও হাস্যমুখর। হঠাৎ রইচ ঘটক পাশের গ্রামের রহম আলী নামে এক মধ্যবয়সী পাত্রের প্রস্তাব নিয়ে আসে। শাহানার পিতা অভাবের কথা ভেবে শাহানার বিয়ের এ প্রস্তাবে রাজি হয়। শাহানার দু'চোখে বিস্ময় ও ক্ষোভ। শাহানার স্বপ্নগুলো, রহম আলীর আচরণে ও রূঢ়তায় বিচূর্ণ হয়ে যায়।
- 146.
শ্যামচুর গ্রাম থেকে শহর অকেটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। এ অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের খেতে, গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসব ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর মেহের আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকালে রহমত মিয়া নামে এক অচেনা এক দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা রহমত মিয়ার চোখে-মুখে নানা শঙ্কা, উদ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সকলের সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকাণ্ডের গল্প বলতে শুরু করে।
- 147.
ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে, বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে- এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ। আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়; যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।
- 148.
'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে। বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।
- 149.
জনাব কালাম ১৯৮৭ সালে একটি উপন্যাস রচনা করে বই আকারে প্রকাশ করেন। তিনি উপন্যাসটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের রেজিস্টার বইতে লেখক হিসেবে তাঁর নাম, ঠিকানা, বইটির নাম, পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করে নিবন্ধন করেন। তখনকার প্রেক্ষাপটে উপন্যাসটি জনপ্রিয়তা পায়নি। বইটি আর ছাপাও হয়নি। ৩০ বছর পর ২০১৭ সালে অন্য একজন ব্যক্তি উপন্যাসটি তাঁর নিজের নামে প্রকাশ করলে জনাব কালাম পূর্বের প্রমাণাদি দাখিলপূর্বক উত্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
- 150.
দিনাজপুর জিলা চাল ও লিচুর জন্য বিখ্যাত। এখানকার অধিকাংশ কৃষক ধান ও লিচু চাষ করে। ফলে এখানে রাইসমিল ও লিচু বাগান ব্যাপক হারে গড়ে ওঠেছে। চালের বাজার মূল্য প্রতিবছর ওঠা-নামার কারণে চাষিরা ধান চাষের চেয়ে লিচু চাষের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ছে। চাল ব্যবসায়ীরা এতে প্রত্যাশিত লাভ করতে পারছে না।